মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

এখনো নিষ্ঠুর নীরবতায় সুচি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

sukiআওয়ার ইসলাম: সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে নিজ ঘরে পরবাসী রোহিঙ্গা মুসলিমরা এখন দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন। জঙ্গি দমনের নামে সেনাদের চালানো অব্যাহত অভিযানে এরই মধ্যে সেখানকার বহু মুসলিম প্রাণ হারিয়েছেন। স্বজন হারানো উদ্বিগ্ন অনেকে জ্বালিয়ে দেওয়া বাড়িঘরের কাছে খোলা আকাশে রাত কাটাচ্ছেন।

মিয়ানমারে নিরীহ রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনী নির্যাতনের স্টিম রোলার চালানো অব্যাহত রাখলেও দেশটির গণতন্ত্রকামী নেত্রী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির নীরবতা স্পষ্ট। এটা সবারই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তাঁর এই নীরবতাকে এক রকমের নিষ্ঠুরতা বলে অনেকেই মনে করছেন।

গত অক্টোবরের শুরুর দিকে রোহিঙ্গাদের ওপর এই নির্যাতনের শুরু। তখন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা মুসলিম-অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়িতে সন্ত্রাসী হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিহত হন। এরপরই অভিযানে নামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

প্রথম দিকে স্থলবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অভিযান সীমিত থাকলেও অতিসম্প্রতি তাতে যোগ হয়েছে হেলিকপ্টার গানশিপ। রাখাইন রাজ্যে নিষিদ্ধ রয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও ত্রাণকর্মীদের প্রবেশও। ফলে প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার কিছু জানা না গেলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন নারী ও শিশুদের ওপর গণধর্ষণ, নির্বিচারে হত্যা ও গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়ার। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করছে সেনাবাহিনী।

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের ইতিহাসের এটা সাম্প্রতিকতম অধ্যায়। মিয়ানমারে ১০ লাখ রোহিঙ্গার বসবাস। তবে বিপুলসংখ্যক এই মুসলিম জনগোষ্ঠীকে দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ সম্প্রদায় অবৈধ অভিবাসী বলে বিবেচনা করে তাঁদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করে থাকে।

দীর্ঘ সেনাশাসন ও পরে সেনা-সমর্থিত সরকারের ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে মিয়ানমারে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়ী হয় সু চির নেতৃত্বাধীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সু চি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। দেশের নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সব বিষয় নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা তাঁর হাতে। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে, কী করছেন তিনি?

কার্যত গোটা মিয়ানমারের এই নেতা বলতে গেলে এখন নীরব। গত মাসে জাপান সফরে যাওয়ার সময় অবশ্য তিনি চলতি সহিংà