আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার পর সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহে অনেক মুসলমানকে গোপন বন্দিশালায় আটক করে সিআইএ'র নিষ্ঠুর নির্যাতনের ঘটনা এখন আর কারও কাছে অজানা নয়।।
সিআইএ'র হাতে নির্যাতিত এমন দু'জন মুসলিম বন্দির ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) এক নতুন গবেষণায়। এতে বন্দিদের উপর সিআইএ'র নতুন ধরনের নির্যাতন চালানোর ঘটনা জানা গেছে।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে এইচআরডব্লিউ'র উপস্থাপিত 'সিআইএর আটকাদেশ কর্মসূচি' সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটির নতুন ধরণের এ নির্যাতনের বিষয়টি ফাঁস হয়।
ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, তিউনিসিয়ার দুই নাগরিক রিদা আল নাজার এবং লুৎফি আল ঘেরেসিকে ২০০২ সালে পাকিস্তান থেকে গ্রেফতার করে কোবল্ট নামে আফগানিস্তানে সিআইএ'র একটি গোপন নির্যাতনকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই দু'জনের সঙ্গে তিউনিসিয়ায় গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন এইচআরডব্লিউর 'যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক' আইনজীবী লরা পিটার। নির্যাতিত দু'জন সাক্ষাৎকালে তাদের উপর চালানো নির্যাতনের সব কথা লরাকে জানিয়েছেন।
পরে লরা তা জানিয়েছেন এইচআরডব্লিউর যুক্তরাজ্য শাখার জনসংযোগ কর্মকর্তা স্টিফেনাই হ্যাংকককে।
নিচে লরার সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: জিজ্ঞাসাবাদের নামে আটকে রেখে সিআইএ'র নির্যাতনের কথা বিশ্ববাসীর কাছে আর অজানা নয়। তারপরেও এ দু'জনের কথা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কেন?
লরা: সিআইএ'র নির্যাতন কর্মসূচির প্রাথমিক শিকার হয়েছিলেন এরা দু'জন। এখন পর্যন্ত এ দুজনকে ছাড়া 'কোবল্টে' বন্দি আর কারও কাছ থেকে আমরা সরাসরি নির্যাতনের কথা শুনিনি।
আর তাদের কথা থেকে জানা যায়, সিনেট প্রতিবেদনে নির্যাতন পদ্ধতির যে অতি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হয়েছে- বন্দিদের তার চেয়েও অনেক বেশি নির্মম নির্যাতন করা হয়েছে। যা এখন পর্যন্ত সাধারণ মানুষ জানে না।
প্রশ্ন: কীভাবে নির্যাতন করা হয়েছে?
লরা: সিনেট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল নাজারকে টানা দু'দিন ২২ ঘণ্টা করে একটি লোহার রডের সঙ্গে শেকলে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।
কিন্তু তিনি জানিয়েছেন, তাকে ঝুলিয়ে রেখে নির্যাতন চলে তিনমাস ধরে। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় মাত্র এà