আওয়ার ইসলাম: ২০১৩ সালে বিশ্বের হাজারো গোপন তথ্য প্রকার করে আলোচনায় আসে ইউকিলিকস নামের প্রতিষ্ঠানটি। এতে বাংলাদেশ প্রসঙ্গের পাশাপাশি বাংলাদেশের কওমি মাদরাসাগুলোরও কিছু তথ্য ফাঁস করা হয়। ২০১৩ সালের প্রকাশিত কওমি মাদরাসা নিয়ে এই তারবার্তা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে বর্তমানে কওমি মাদরাসা স্বীকৃতির প্রেক্ষপট সামনে আসায় নিউজটি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা সমালোচনা।কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাক্রম সংস্কার বিষয়ে মার্কিন সরকারের অর্থসাহায্যের প্রস্তাবে রাজশাহী অঞ্চলকে বিশেষ বিবেচনায় রাখার সুপারিশ করেন রাষ্ট্রদূত। মরিয়ার্টির মন্তব্য, ‘কওমি মাদ্রাসায় সন্দেহজনক উৎসের অর্থায়ন, উসকানি ও প্ররোচনামূলক শিক্ষা উপকরণ এবং মূলগত সংরক্ষণবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ প্রমাণ করে, বাংলাদেশ সরকার কওমি মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে।’
‘শিক্ষার শূন্যতা পূরণ করছে কওমি মাদ্রাসা’ উপশিরোনামে পাঠানো বার্তায় উল্লেখ করেছেন, কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা ২৩ থেকে ৫৭ হাজার। এবং দারিদ্র্যপীড়িত দেশটির অনেক অভিভাবক বিনা মূল্যে থাকা-খাওয়া ও টিউশন ফির আশায় সন্তানদের এসব মাদ্রাসায় পাঠান। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাজশাহীর তিনটি কওমি মাদ্রাসা পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের পরীক্ষা নেন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা। যুগের চাহিদার সঙ্গে সংগতিহীন দুর্বল শিক্ষাক্রম ও শিক্ষার মান নিয়ে সন্দিগ্ধ মরিয়ার্টি উল্লেখ করেন, জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার
পঞ্চম শ্রেণীর ই