বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

শরহে বেকায়ায় ১ম এবং কাফিয়ায় ১ম ও ৩য় স্থানসহ ফয়জুল কুরআনের ঈর্ষণীয় সাফল্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক) এর কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী ঢাকা বরাবরের মতোই এবারও তার সফলতার ধারাবাহিকা অব্যাহত রেখেছে। ৪৮তম বেফাক কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় ফয়জুল কুরআন থেকে অংশগ্রহণকারী প্রায় শতভাগ ছাত্র মুমতাজ (GPA-5) মানে উত্তীর্ণ হয়েছে। 

সানাবিয়া উলইয়া (শরহে বেকায়া) থেকে নেয়ামাতুল্লাহ রিদওয়ান সারা দেশে প্রথম স্থান এবং সানাবিয়া আম্মাহ (কাফিয়া) থেকে লাবিব মাসরুর সারাদেশে প্রথম স্থান ও ওমর ফারুক সারাদেশে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। এছাড়াও মেশকাত, শরহে বেকায়া, কাফিয়া, নাহবেমির, ইবতিদায়ি ও হিফজে মেধাতালিকায় ৯৬জন ছাত্র স্থান লাভ করার গৌরব অর্জন করেছে।  

ফয়জুল কুরআনের এ গৌরবময় অর্জন বিগত বছরগুলোরই ধারাবাহিকতা। ফয়জুল কুরআনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতী মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম ফয়জুল কুরআনের এই ধারাবাহিক সফলতা সম্পর্কে বলেন, রাব্বে কারিমের অপার অনুগ্রহ ব্যতীত এমন সফলতা ও সফলতার এমন ধারাবাহিকতা সম্ভব নয়। আমরা সকল শিক্ষার্থীকে মাদরাসায় আবাসিক রাখার চেষ্টা করি। প্রতিজন ছাত্রকে নিয়ে আমরা আলাদা আলাদা চিন্তা করি। প্রত্যেকের সবলতা ও দুর্বলতাগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। উস্তাদরা তাদের আরাম-বিশ্রাম বিসর্জন দিয়ে পরিশ্রম করেন। ছাত্রদের পরিশ্রম ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করেন। ছাত্ররাও আনুগত্যের সাথে উস্তাদদের নির্দেশনা মেনে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আল্লাহর মেহেরবানি। 

তিনি আরো বলেন, আমি আমার প্রতিষ্ঠান ও ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য সকলের কাছে দুআ চাই। ওদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। আশা করি, ওরা একদিন জাতীয় ও আন্তর্জাতির্ক পরিমণ্ডলে মুসলিম উম্মাহর সেবায় দক্ষতার সাথে আত্মনিয়োগ করতে পারবে। আমরা সেভাবেই ওদের গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের পরিশ্রম ও সাধনাও অব্যাহত থাকবে। আমি আশা করি, আল্লাহর দয়া ও আপনাদের দুআর বদৌলতে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারব, ইনশাআল্লাহ।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ