শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩ জন এবং আহত ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ১৫৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৩৯ জন। এই যানবাহনটির দুর্ঘটনার হার ৩৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এতে ১০৬ জন পথচারী নিহত ও যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত ৫৩ জন। 

একই সময়ে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৭ জন আহত এবং ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৩টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে যানবাহনভিত্তিক নিহতের হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের। এ সংখ্যা ১৩৯ জন, যা মোট নিহতের ৩২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এছাড়া বাসের যাত্রী ২৬ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-ট্রলির আরোহী ১৯ জন, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-জিপের আরোহী ২১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৮৮ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৮ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ৬ জন নিহত হয়েছেন।

থ্রি-হুইলার যাত্রীদের মধ্যে অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনার যাত্রীরা রয়েছেন। আর স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের মধ্যে রয়েছে নসিমন, ভটভটি, মাহিন্দ্র ও টমটম।

আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ১৩২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, এতে নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন। একক জেলা হিসেবে গাজীপুরে সর্বোচ্চ ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানীতে ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন, আহত ৪৭ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি ও যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানো। এছাড়া ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

দুর্ঘটনা কমাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের প্রশিক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ