রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার বরাদ্দকৃত অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশ ও জনগণের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী গণরায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: আমিরে মজলিস ‘হে কাবার মালিক! মক্কা-মদিনাকে হেফাজত করো’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় প্রাণহানি, জমিয়তের শোক ও নিন্দা মালয়েশিয়ায় কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরাকে সংবর্ধনা দেবে সরকার

নিষ্কাশনে কমছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, জেগে উঠছে ঝুলন্ত সেতু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিষ্কাশন করার ফলে কমছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। নিয়ন্ত্রণে আসছে হ্রদে পানির উচ্চতা। তাই কাপ্তাই বাঁধের স্প্রিলওয়ে দিয়ে পানি ছাড়ার পরিমাণ কমানো হয়েছে। এদিকে পানি সরে যাওয়ায় ভেসে উঠছে রাঙামাটির মনোরম ঝুলন্ত সেতু। 

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সেতুটির পাটাতন থেকে পানি নেমে গেছে। তবে এখনো সেতুতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি ভারি বর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমা পার করে। তলিয়ে যায় হ্রদ তীরবর্তী জেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল। ডুবে যায় রাঙামাটি পর্যটন মোটেলে অবস্থিত ঝুলন্ত সেতুটি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাপ্তাই বাঁধের স্প্রিলওয়ের ১৬ জলকপাট খুলে প্রতি সেকেন্ডে ৫৬ হাজার কিউসেক পানি ভাটি অঞ্চলের কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হয়। এতে নিয়ন্ত্রণে আসায় তা থেকে কমিয়ে বর্তমানে প্রতি সেকেন্ডে ১৮ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।

রাঙামাটি পর্যটন মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, পানি সেতু থেকে নেমে গেলেও এখনো তা স্বাভাবিক হয়নি। তাছাড়া উজান থেকে এখনো পাহাড়ি ঢল নামছে। পানি আরও কিছু পরিমাণ কমে গেলে কর্তৃপক্ষের অনুমতিসাপেক্ষে পর্যটকদের জন্য সেতু উন্মুক্ত করে দেওয়া যাবে। এখন সেতুটির মেরামত ও পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর কমতে থাকায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট এক ফুট উচ্চতায় খোলা রেখে বর্তমানে প্রতি সেকেন্ডে ১৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে। এছাড়া কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পাঁচটি ইউনিট সচল রেখে আরও ৩২ হাজার কিউসেক পানি প্রতি সেকেন্ডে কর্ণফুলী নদীতে নির্গত হচ্ছে।

কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) জানান, উজান থেকে এখনো পাহাড়ি ঢল অব্যাহত রয়েছে। তবে হ্রদে পানি ধীরে ধীরে কমতে থাকায় বাঁধের গেট আরও এক ফুট কমিয়ে খোলা রাখা হয়েছে। 

দুপুরে হ্রদের পানির স্তর ছিল ১০৫ দশমিক ৩৪ ফুট বা এমএসএল (মিন সি লেভেল)। কাপ্তাই হ্রদে সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট। হ্রদে পানি আরও কমে গেলে গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ