রাজধানীর মুগদায় উদ্ধার হওয়া খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নিহত ব্যক্তি সৌদি প্রবাসী মো. মুকাররম। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে তাকে হত্যা করে লাশ আট টুকরো করা হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে মুগদা থানার পুলিশ মান্ডা এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর ‘শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় লাশের সাতটি অংশ উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহটির মাথা, হাত ও পা আলাদা করে টুকরো করা ছিল। তাদের ধারণা, হত্যাকাণ্ডটি অন্য কোথাও সংঘটিত হওয়ার পর মরদেহ এনে ওই এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, প্রথমে বেজমেন্ট থেকে মরদেহের সাতটি খণ্ড উদ্ধার করা হলেও মাথার অংশ পাওয়া যায়নি। পরে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
হত্যার রহস্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ লাখ টাকার বেশি আত্মসাতের পর মুকাররমকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়। এরপর তাকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে ভরে রাজধানীর মুগদা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়।
জেডএম/
