সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে নেওয়া হবে ৭ দাঈ ফজরের নামাজে সিজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু শোলাকিয়া ঈদগাহে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প, লাগানো হবে নিমগাছ সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা আজ কুরআনের আলোয় হৃদয় বদল, মা-বাবার পর ইসলামের ছায়ায় জার্মান কিশোরী মহানবীর (সা.) আদর্শ ছাড়া মানবতার মুক্তি আশা করা যায় না: মুনতাসির আলী দেশে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করতে চাই—ক্লিয়ার কাট কথা: শায়খে চরমোনাই ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার খবরে শীর্ষ আলেমদের উদ্বেগ বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী

হিজাব ইস্যুতে পিছু হটার ইঙ্গিত তেহরানের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: হিজাব আইন নিয়ে পিছু হটার ইঙ্গিত দিল ইরান। দু’মাসের হিজাব-বিরোধী প্রতিবাদ আন্দোলনের পর দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল মুহম্মদ জাফর মোনাজেরি বলেছেন, হিজাব আইনে কোনও পরিবর্তন করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইন ও বিচারবিভাগ।

সংবাদ সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। তবে হিজাব আইনে ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন আনা হতে পারে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।

ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, গত বুধবার সংসদের সাংস্কৃতিক কমিশনের সঙ্গে দেখা করেছেন আইন ও বিচারবিভাগের যৌথ প্রতিনিধি দল। হিজাব আইনে পরিবর্তনের বিষয়ে তাদের মধ্যে বিস্তারিত কথা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

গত শনিবারই দেশের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি জানিয়েছিলেন, ইরানের সাধারণতন্ত্র এবং ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাংবিধানিকভাবে শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত। তবে একই সঙ্গে তার দাবি, দেশের সংবিধানে নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বদল আনা সম্ভব। প্রেসিডেন্টের এই বার্তার মধ্যেই সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত ছিল বলে অনেকে মনে করেছিলেন। তবে গোঁড়া এবং রক্ষণশীল ইসলামিক শাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন ইরানে হিজাব আইন কতটা শিথিল করা হবে, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই।

গত দু’মাস ধরেই হিজাব-বিরোধী আইনে উত্তাল ইরান। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইরানের কুর্দি অঞ্চলের বাসিন্দা, ২২ বছরের তরুণী মাহসা আমিনিকে আটক করে সে দেশের নীতি পুলিশ। মাহসার অপরাধ ছিল, তিনি ঠিক করে হিজাব পরেননি। পুলিশি হেফাজতেই রহস্যজনক ভাবে মাহসার মৃত্যু হয়। তার পরই তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহর এবং শহরাঞ্চলে হিজাব খুলে, চুল কেটে রক্ষণশীল ইসলামিক শাসনের বিরুদ্ধে সরব হন দেশটির নারীরা।

প্রতিবাদের রেশ গিয়ে পৌঁছায় ফুটবলের ময়দানেও। বিশ্বকাপের প্রথম খেলায় জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে গলা মেলাননি সে দেশের খেলোয়াড়রা। গ্যালারিতেও দেখা যায়, মাহসা আমিনির নাম লেখা জার্সি পরে নীরবে প্রতিবাদ দেখিয়ে যাচ্ছেন দেশটির তরুণীরা। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও এ নিয়ে রীতিমতো কোণঠাসা হতে হয় ইরানকে। এত দিনে হিজাব নিয়ে নিজেদের নিশ্চল অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিল তেহরান প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালের পর ইরানের আইন অনুযায়ী প্রতিটি মেয়েকে বাধ্যতামূলক ভাবে হিজাবে মাথা ঢাকতে হয়। হিজাব না পরলে, এমনকি ঠিকভাবে না পরলেও সে দেশের সেনা, নীতি পুলিশ এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ