বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিদ্যুতে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত দাম বৃদ্ধির আদেশ প্রত্যাহার পাকিস্তানে মাদরাসায় ভর্তিচ্ছুরা প্রতারকদের থেকে বাঁচবেন যেভাবে আসছে বাজেটে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: শিক্ষামন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, কর্তৃপক্ষের অবহেলা প্রমাণিত হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ লেবাননে ফের হামলা ইসরায়েলের যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে শত্রুরা অভ্যন্তরীণ বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে: মোজতবা খামেনি ঈদে সারাদেশের পশু কোরবানির সংখ্যা জানালেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কোরবানির পর অবিক্রিত প্রায় ৩০ লাখ পশু সীমান্তে বিএসএফের অবৈধভাবে ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে হিন্দু শিক্ষককে অব্যাহতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: টাঙ্গাইলের একটি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক শিক্ষককে। শিক্ষক গোপাল চন্দ্র বসাক মাত্র তিন দিন আগেই শহরের দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা কমিটি তাকে সরিয়ে এর আগে দায়িত্বে থাকা মাওলানা সোহরাব হোসেনকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়।

একই সঙ্গে, মাদ্রাসাটিতে সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রমও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ২০২০ সালে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু সাঈদের মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন সোহরাব হোসেন।

এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য নিয়োগপত্র আহ্বান করা হলেও পর্যাপ্ত-সংখ্যক আবেদন পাওয়া যায়নি।

৩০ আগস্ট পুনরায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। ১২ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ পদে আবেদনের জন্য ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন সোহরাব। এ কারণে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয় গোপাল চন্দ্র বসাককে।

গোপাল চন্দ্র জানান, ১৯৯১ সালে তিনি প্রভাষক হিসেবে মাদ্রাসায় যোগ দেন। তখন মাওলানা আবু সাইদ অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন।

তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ খালি হওয়ায় নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগপত্র দেয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

যথাযথ নিয়মেই তিনি এ দায়িত্ব পান বলে ভাষ্য গোপাল চন্দ্রের। সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ারুল হাবীবকে। কিন্তু শুক্রবার সকালে মাদ্রাসা কমিটির জরুরি সভায় সোহরাব হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তার অপসারণের দাবি তোলে। মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে একজন হিন্দু শিক্ষকের নিয়োগ ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানার শামিল।

এদিকে, মাদ্রাসা কমিটি প্রেসিডেন্ট কুদরত-এ-এলাহীর দাবি, গোপাল চন্দ্র বসাককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি এবং মাদ্রাসার সব ধরনের নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ