রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের এতিম সন্তানদের পাশে আস-সুন্নাহ, দিলো বড় অনুদান সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা  ঢাকাই মসলিনের গবেষণায় সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী পাঠ্যবইয়ে প্রাণীর ছবি থাকলে শরিয়তের বিধান কী? সাভারে মহিলা মাদরাসায় হামলা, আতঙ্কে ছাত্রী-অভিভাবক কুমিল্লার বটগ্রাম মাদরাসার নতুন মুহতামিম মাওলানা জামালুদ্দীন জমি নিয়ে বিরোধে মসজিদের ইমামকে কুপিয়ে জখম শরীয়তপুর যুব জমিয়তের সভাপতি এনামুল, সম্পাদক তাজুল জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে সংবিধান পুনর্লিখনের আন্দোলন: আমিরে মজলিস ইন্ডিয়া ইসলামিক একাডেমি দেওবন্দের প্রথম অফলাইন কেন্দ্র হচ্ছে তেলেঙ্গানায়

মনগড়া ওয়াজ ইসলামের জন্য ক্ষতিকর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মদ: ওয়াজ মাহফিল মানুষকে সদুপোদেশ দেয়া। তাদের কল্যাণের পথে ডাকার পথ এ মাধ্যম। নবী-রাসুল আ. সাধারণ মানুষকে সত্যের পথে যে আহবান জানাতেন তারই প্রচলিত রূপ। আলেমগণ সে পদ্ধতিকে অবলম্বন করে সাধারণ মানুষকে অপরাধমুক্ত রাখার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন যুগের পর যুগ।

মফস্বল এবং শহরের মসজিদ-মাদরাসা কিংবা গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে বছরে অন্তত একবার হলেও ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এলাকাবাসীর কাছ থেকে চাঁদা তুলে মাহফিলের প্রচার, প্যান্ডেল, ওয়ায়েজীনদের দাওয়াত দেওয়ার কাজ আঞ্জাম দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য থাকে একটাই- মানুষের হেদায়াত।

একটি ওয়াজ মাহফিলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মাহফিল পরিচালনা কমিটি এবং ওয়ায়েজগণ। আয়োজকদের সুন্দর ব্যবস্থাপনা ও বক্তার জ্ঞানগর্ভ আলোচনার মাধ্যমে একটি মাহফিল ‘হেদায়াতের মঞ্চ’ হয়ে উঠে।

সবশেষে মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত ও বরকতে দু’একজন শ্রোতার দীনের পথে উঠে আসার মাধ্যমে একটি মাহফিল পূর্ণতা লাভ করে।

তবে বর্তমানে ওয়াজ মাহফিল নিয়ে শ্রোতা মহলের অভিযোগ অনেক। প্রথমেই তারা অভিযোগের তীর ছুঁড়ছেন বক্তার দিকে তারপর আয়োজকের দিকে। বক্তা এবং আয়োজকদের নানা অসঙ্গতির কথা উঠে আসছে তাদের অভিযোগে।

আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম সেইসব অসঙ্গতি তুলে ধরে তা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে বের করার ক্ষুদ্র প্রয়াস চালিয়েছে। ওয়াজ মাহফিলের সংস্কারের লক্ষ্যে পাঠকদের জন্য সিরিজ প্রতিবেদনের মাধ্যমে ওয়াজ মাহফিলের যাবতীয় অসঙ্গতি তুলে ধরা হবে এবং খুঁজে বে করা হবে উত্তরোণের পথ ও পদ্ধতি।

তুলে ধরা হবে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও ওয়ায়েজের বক্তব্য ও ভাবনা। আজকের পর্বের বিষয়- ওয়ায়েজের গুণাবলী ও দাওয়াত প্রদানের পদ্ধতি। কথা বলেছেন রাজধানী মিরপুরের আকবর কমপ্লেক্স এর মহাপরিচালক ও প্রখ্যাত ওয়ায়েজ মুফতি দেলোয়ার হুসাইন এবং আলোচিত বক্তা মাওলানা আব্দুল বাসেত খান।

একজন বক্তা বা দাঈর গুণাবলী বর্ণনা করতে গিয়ে দেশের ৬৪ জেলায় ওয়াজের মাঠ চষে বেড়ানো দাঈ মাওলানা আব্দুল বাসেত খান বলেন, সর্বপ্রথম বলব- ইলম বা জ্ঞান অন্বেষণের কথা। একজন আলোচক যে বিষয়ে আলোচনা করবেন সে বিষয়ের পরিপূর্ণ ইলম তাকে অর্জন করতে হবে।

সাথেসাথে সেই ইলম অনুযায়ী আমলও থাকতে হবে। ইখলাছ থাকতে হবে এবং লিল্লাহিয়াতের উদ্দেশ্যে বয়ান পেশ করতে হবে।

সবচেয়ে জরুরি বিষটি হলো- কুরআন-হাদিসে বর্ণিত দাওয়াতের পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আল্লাহর রাসুল সা. উম্মতদের যেভাবে দনের পথে আহ্বান করতেন, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করে দাওয়াত দিতে হবে।

দাওযাত প্রদানের পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি