বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জ্ঞান-গরিমায় উঁচু পাহাড় ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার  আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক একাগ্রতার সালাত টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’  চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে জমিয়তের শোক সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশন’র শোক

হজের মাস: বিধান, ফজিলত ও হাদিসে রাসুল সা.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা আব্দুল্লাহ আল কাউসার: ইসলামের মৌলিক পাঁচটি ভিত্তির একটি হলো হজ্ব। আসুন হজ্ব সম্পর্কে আলোচনা করি- (১)- কাদের উপর হজ্ব ফরয ?

আল্লাহ্ তা'আলা বলেন - لِلّٰهِ عَلَی النَّاسِ حِجُّ الْبَیْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ اِلَیْهِ سَبِیْلًا ؕ وَ مَنْ كَفَرَ فَاِنَّ اللّٰهَ غَنِیٌّ عَنِ الْعٰلَمِیْنَ মানুষের মধ্যে যারা সেখানে পৌঁছার সামর্থ্য রাখে, তাদের উপর আল্লাহর জন্য এ ঘরের হজ্জ করা ফরয। আর কেউ কুফর করলে আল্লাহ তো বিশ্বজগতের মুখাপেক্ষী নন! —আল ইমরান - ৯৭

(২)- হজ্ব ফরয হওয়ার জন্য পাঁচটি শর্ত রয়েছে। (ক). মুসলিম হওয়া। (খ). আকল থাকা—অর্থাৎ বিবেকবান হওয়া, পাগল না হওয়া।
(গ). বালেগ হওয়া/প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া। (ঘ). আজাদ বা স্বাধীন হওয়া—অর্থাৎ কারো গোলাম বা দাস না হওয়া।

(ঙ). দৈহিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান হওয়া। সামর্থবান বলতে দৈনন্দিন খরচ বাদে হজ্বে আবশ্যকীয় প্রয়োজনে যে পরিমাণ টাকা প্রয়োজন তথা যাওয়া আসা, সেখানে থাকা খাওয়া ইত্যাদি পরিমাণ টাকা থাকলে ব্যক্তির উপর হজ্ব করা ফরজ হয়ে থাকে। সে হিসেবে দেখতে হবে বর্তমানে হজ্ব করতে গেলে কত টাকা লাগবে। সে টাকা উক্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে তার উপর হজ্ব করা আবশ্যক।

(৩)- হজ্ব জীবনে কয়বার ফরয ?

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত রাসূল (সা.) বলেছেন -
الحَجُّ مرةً، فمَن زاد فهو تطوُّعٌ.

হজ্ব একবার। এরপর যে বেশি করে তা ঐচ্ছিক!
(আবু দাউদ - ১৭২১ ; নাসায়ী - ২৬২০ ইবনে মা'জা - ২৮৮৬ ; মুসনাদে আহমাদ - ২৩০৪)

(৪)- সামর্থ্যবানদেরকে দ্রুত হজ্ব আদায় করার জন্য তাকীদ দেয়া হয়েছে :

ইবনে আববাস রা. বর্ণনা করেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন -

مَنْ أَرَادَ الْحَجَّ ، فَلْيَتَعَجَّلْ ، فَإِنَّهُ قَدْ يَمْرَضُ الْمَرِيضُ ، وَتَضِلُّ الضَّالَّةُ ، وَتَعْرِضُ الْحَاجَةُ

যে ব্যক্তি হজ্ব করার ইচ্ছে করে, সে যেন তাড়াতাড়ি তা আদায় করে নেয়। কারণ যে কোনো সময় সে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে বা বাহনের ব্যবস্থাও না থাকতে পারে অথবা অন্য কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।
(মুসনাদে আহমদ, হাদীস - ১৮৩৩ ; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস - ২৮৮৩ ; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস - ১৭৩২ ; সুনানে দারিমী, হাদীস - ১৭৮৪ ; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস - ১৬৮৭ ; তবারানী, হাদীস - ৭৩৮)

অন্য বর্ণনায় ইরশাদ হয়েছে, ইবনে আববাস রা. বলেন রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন -

تَعَجَّلُوا إِلَى الْحَجِّ, يَعْنِي الْفَرِيضَةَ, فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لا يَدْرِي مَا يَعْرِضُ لَهُ

ফরয হজ্ব আদায়ে তোমরা বিলম্ব করো না! কারণ, তোমাদের কারো জানা নেই তোমাদের পরবর্তী জীবনে কী ঘটবে। (মুসনাদে আহমদ, হাদীস - ২৮৬৭ ; সুনানে কুবরা বায়হাকী ৪/৩৪০)

ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন -

اسْتَمْتِعُوا بِهَذَا الْ