বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

এবার পদত্যাগ নিয়ে মুখ খুললেন ইমরান খান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দীর্ঘ দুই বছর যাবৎ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে দেশটির বিরোধী দলগুলো। ঘনিয়ে আসছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে তার বিরুদ্ধে আইনপ্রণেতাদের অনাস্থা ভোটের দিনও।

যদিও এরই মধ্যে ইমরান খান পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন, বিরোধীদের অনাস্থা ভোটের প্রস্তাবে পদত্যাগের জন্য একেবারেই প্রস্তুত নন তিনি। বুধবার (২৩ মার্চ) রাজধানী ইসলামাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পাক প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তার দাবি, কোনো অবস্থাতেই পদত্যাগ করব না। আমি শেষ বল পর্যন্ত খেলব এবং তাদের (বিরোধীদের) চমকে দেব। আমি জানি, তারা চাপে আছে।

গত ৯ মার্চ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির বিরোধী দলীয় এমপিরা অ্যাসেম্বলির সচিবালয়ে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব জমা দেন। মূলত তাদের সেই প্রস্তাব আমলে নিয়ে আগামী ২৫ মার্চ অনাস্থা ভোটের দিন ধার্য করেন অ্যাসেম্বলির স্পিকার আসাদ কায়সার।

পাক পার্লামেন্টারি নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ২৫ মার্চ থেকে পরবর্তী সাত দিনে তিন ধাপে অনাস্থা ভোট হবে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে।

বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে ইমরান খান দৃঢ়কণ্ঠে বলেছিলেন, আমার ট্রাম্পকার্ড হলো, আমি আমার কোনো কার্ড গোপন রাখিনি। তাই কেউ যদি ভেবে থাকেন যে (অনাস্থা ভোটের মুখে পড়ার ভয়ে) পদত্যাগ করে আমি ঘরে বসে থাকব, সে ক্ষেত্রে তিনি বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন। আমি পদত্যাগ করব না। আর কেন আমি (পদত্যাগ) করব? চোরের দল দাবি তুলেছে বলেই পদত্যাগ করতে হবে?

পাকিস্তানের বিরোধীরা বরাবরই অভিযোগ করে আসছেন, সামরিক বাহিনীর মদতে ক্ষমতায় টিকে আছেন ইমরান খান। ইমরান অবশ্য বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বুধবারের সংবাদ সম্মেলনেও তিনি দাবি করেন, সামরিক বাহিনীকে রাজনৈতিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করা বিরোধীদের উচিৎ নয়।

পাক প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, সামরিক বাহিনী যদি না থাকত, তাহলে এই পাকিস্তান এতদিনে অন্তত তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে যেত। সেনাবাহিনীর সমালোচনা করা বা একে রাজনৈতিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করার অভ্যাস আমাদের পরিবর্তন করা উচিৎ।

বিরোধীদের উদ্দেশে পাক প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, যদি কোনো কারণে তাকে ক্ষমতাচ্যুত হতেও হয়, তাহলেও নীতির সঙ্গে আপস করবেন না। কারণ পাকিস্তানের জনগণ ও স্রষ্টার কাছে আমি দায়বদ্ধ।

আমার নেতৃত্বাধীন সরকার যদি কোনো কারণে পড়েও যায়, তবুও আমি নিজের নীতির সঙ্গে আপস করব না। কেননা আমি দেশের জনগণ ও স্রষ্টার সঙ্গে বেঈমানি করতে পারি না। জনগণ আমার সঙ্গে আছেন। দেশের মোট জনসংখ্যার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ আমাকে ও আমার দলকে সমর্থন করে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ