শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে আবুধাবির জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ‘সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয় না’ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ শিশুর মৃত্যু নেত্রকোনার বড়বাজারে অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত ৮ স্থাপনা যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালকসহ নিহত ২ সেবার মানসিকতা না থাকলে চিকিৎসার মান উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়-মাদরাসার ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি: নাহিদ ইসলাম

আওয়ার ইসলাম সম্পাদকের মামীর ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব: জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুবের মামী মোসা. আছমা বেগম ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‍প্রায় সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থেকে তিনি শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে মৃত্যু বরণ করেন। আজ (রোববার) দুপুর ২.৩০ মিনিটে তার সাবেক কর্মস্থল কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের হিলচিয়া স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

আরো জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি (শুক্রবার)  গ্রামের বাড়ি বাজিতপুরের হিলচিয়ায় তিনি আকষ্মিকভাবে আগুনে দগ্ধ হোন। এরপর স্থানীয় ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে তাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ২৩ জানুয়ারি রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনে মোসা. আছমা বেগম ছিলেন ৩মেয়ে ও একছেলের জননী। তাদের মধ্যে দুই মেয়ে চিকিৎসক পেশায় নিয়োজিত। তাছাড়া তিনি হিলচিয়ার সমাজ সেবক ও চিকিৎসক ডা. শাহজাহানের স্ত্রী।

তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবার।

এদিকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আওয়ার ইসলাম সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘আমার মামী ও আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষিকা মোসা. আছমা বেগম ছিলেন একজন  গুণী শিক্ষিকা, আদর্শ মা ও সচেতন অভিভাবক। দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মফস্বলে শিক্ষার আলো বিস্তারে তার অবদান অস্বীকার্য। এছাড়া তিনি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন। সমাজসেবায় নিজেকে নিবেদিত করেছেন। তার মতো এমন গুণীজনকে হারিয়ে আমি ব্যথিত ও মর্মাহত। আল্লাহ যেন তার জীবনের সবভুল ক্ষমা করে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করেন সেই কামনা করি। পাশাপাশি তার রুহের মাগফেরাতের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।’

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ