বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

মুখ থুবড়ে পড়েছে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

এম. মিজানুর রহমান
বান্দরবান।

শিক্ষক-কর্মচারী সংকটসহ নানান সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ৩১জন শিক্ষকের বিপরীতে ৫ জন,৭ জন কর্মচারীর বিপরীতে আছে ১ জন।

শিক্ষকদের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধানসহ ৩ জনই ধর্মীয়, কর্মচারীর মধ্যে আছে ১জন পিয়ন। গত ১যুগ বছর ধরে চলে আসছে বিদ্যালয়ে এ নাজুক অবস্থা। শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে এখন ৯০০ থেকে এখন ৫৬৪ জন। এমন পরিস্থিতিতেও শিক্ষক পুরণ না করে শিক্ষক বদলি করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে মুখ থুবড়ে পড়েছে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা।

মানসম্মত শিক্ষা দুরের কথা নুন্যতম শিক্ষাও পাচ্ছে না এই বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। বিজ্ঞান পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের অবস্থা আরো বেগতিক। সন্তানকে সুশিক্ষত করতে চরম বিপাকে পড়েছেন অভিভাবকরা। প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয়রা।

বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, ১ জুলাই ১৯৬৭সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১৯৮১ সালে জাতীয়করণ হয় লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। সে থেকে পরিপুর্ণ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ে সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছিল বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ের সুনাম ও ঐতিহ্যে অন্য উপজেলা থেকে একসময় শিক্ষার্থীরা পড়তে আসতো এখানে।

মূলত ২০১০ সালের পর থেকে শিক্ষক-কর্মচারী সংকটে শিক্ষার পরিবেশে ব্যাপক ধস নামতে শুরু করে। বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য, কারিগরি বিভাগসহ বর্তমানে প্রায় ৬’শ ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে বিদ্যালয়ে। শিক্ষার জনবল কাঠামো অনুসারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা-৪, ইংরেজি-৪, গণিত-৩, সামাজিক বিজ্ঞান-৩, ধর্ম-২, ভৌত বিজ্ঞান-২, ব্যাবসা শিক্ষা-১, ভুগোল-১, চারুকলা-১, শারীরিক শিক্ষা-১, কৃষি শিক্ষা-১, কারিগরি শাখায় কম্পিউটার-২, ড্রেস মেকিং-২জনসহ ৩১জন শিক্ষক এবং অফিস ব্যবস্থাপনায় উচ্চমান সহকারি-১ জন, নিম্মমান সহকারি-১ জন, অফিস সহায়ক- ৫জনসহ ৭জন কর্মচারী থাকার কথা। কিন্তু চাহিদাপত্রে দেখা যায় ৭জন কর্মচারীর মধ্যে পিয়ন ১ জন, ৩১জন শিক্ষকের মধ্যে আছে মাত্র ৫ জন শিক্ষক। আবার এই ৫ জনের মধ্যে রয়েছে আবার ১জন ভৌত বিজ্ঞান, ১জন কৃষি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধানসহ ৩জনই ধর্মীয় শিক্ষক।

একযুগেরও বেশি সময় ধরে চলছে এ করুণ অবস্থা। বর্তমানে ৩১ শিক্ষক পদের মধ্যে ২৬, ৭ অফিস সহায়ক পদের মধ্যে শুণ্য রয়েছে ৬টি। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষক বদলি করছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ২০২১ সালের অক্টোবরে বিদ্যালয়ে শিক্ষক ছিল ৭জন।

সেখান থেকে