বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


রিহলাহ্ মাবরুকাহ্: বরকতময় সফর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।মুফতী মামুন আব্দুল্লাহ কাসেমী।।

ফরিদাবাদ মাদরাসা। মুজাহিদে আ’যম হযরত আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ. প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম ফরিদাবাদ মাদরাসা ঢাকা। প্রধান মুফতী হিসেবে দায়িত্বে আছেন হযরত মাওলানা আবু সাঈদ।

পূর্বে নেওয়া সময় অনুযায়ী হুযুরের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য ১৬ নভেম্বর ২০২১ সোমবার হাযির হয়েছিলাম ফরিদাবাদ মাদরাসায়। সাথে ছিলেন মিরপুর ১৩-এ অবস্থিত দারুল উলূম ঢাকা এর মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস, মুহিউস সুন্নাহ হযরত মাওলানা আল্লামা মাহমুদুল হাসান এবং আল্লামা কমরুদ্দীন আহমাদ গোরখপুরী এর বিশিষ্ট খলীফা, মুহাক্কিক আলিমে দ্বীন জনাব মাওলানা মুফতী রেজাউল হক মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ।

আসরের নামায পড়ে মুফতী সাহেব হুযুরের কামরায় হাযির হলে হুযুরের সাথে মুলাকাত হয়। সালাম বিনিময়ের পরে হুযুরের হালপুরসী করলাম। হুযুরও আমাদের খোঁজখবর নিলেন। মারকাযুদ্ দিরাসার কথা জিজ্ঞেস করলেন। এমনকি আমাদের সাথে সম্পৃক্তদের মাঝে থাকা হুযুরের মুরীদ মুতাআল্লিকদের কয়কজনের নাম-ধাম নিয়ে খোঁজখবর নিলেন।

অবাক লাগলো, হুযুরের বিচরণ এখন গোটা বাংলাদেশ জুড়ে। সেখানে কেন একটি অঞ্চলের ব্যক্তিবিশেষদের কথা হুযুর মনে রাখেন। এরাই জাতির আসল অভিভাবক এবং মিল্লাতে ইসলামিয়ার দরদী রাহবার। মাগরিবের আযান হলে মসজিদে নামায পড়ে সেখান থেকেই বিদায় নেওয়ার অনুমতি চাইলে বললেন-না, নামাযের পরে রুমে এসে নাস্তায় শরিক থাকার কথা বললেন।

দুই.

মসজিদে বেলালের তৃতীয় তলার প্রথম কাতারে উত্তর দিকে দাঁড়ালেন। হুযুরের কামরাও মাদরাসার পুরাতন ভবন; সম্ভবত বর্তমান নাম দারে আবু বকর-এর তৃতীয় তলায়। মসজিদের এই দিকটা হুযুরের কামরা থেকে কাছে। হুযুরের ডানপাশে দাড়ালেন জামিয়ার এক মহারত্ন, নমুনায়ে সুন্নতের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি, সদাপরিপাটি, নীরব সাধক হযরতুল উস্তায হযরত মাওলানা মুফতী আব্দুস সালাম।

এরপরে ছিলেন ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এ জামিয়ার আরেক মহীরুহ, গম্ভীর ব্যক্তিত্বের প্রতাপদ্বীপ্ত চাদরে ঢাকা একজন স্বভাবজাত সহজ-সরল, কোমলপ্রাণ নীতিবান মানুষ,কিন্তু মাদরাসার স্বার্থ এবং নীতিনৈতিকতার প্রশ্নে সদা আপোষহীন, সফল মুনতাযিম, নায়েব সাহেব খ্যাত হযরতুল উস্তায হযরত মাওলানা মুতীউর রহমান।

আপনি ফরিদাবাদের ছাত্র হলে চিত্রটি একটু কল্পনায় আনার চেষ্টা করুন। অসম্ভব ভালো লাগার একটি দৃশ্য। মনভরে দেখলাম। অধিক তৃপ্তির জন্য চোখ বড় বড় করে বারবার তাকালাম। শীতল ও কোমল তৃপির একটি অপার্থিব অনুভূতি হৃদয়কে ছুঁয়ে গেলো।

بارک اللہ في حياتهم الطاهرة وعمّرهم بخدمات علميّة

তিন.

ফরিদাবাদ পড়াকালীন মুফতী সাহেব হুযুরের কাছে সরাসরি কোন কিতাবেà