রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষে ৬ কমিটি গঠন দেশ এগিয়ে নিতে হেফাজতে ইসলামকে পাশে চান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী ‘আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুলাকাতের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে কল্যাণের উপলক্ষ হবে’ দাখিলের ফল প্রকাশ আগামীকাল, জানবেন যেভাবে ‘স্বৈরাচারী আমলে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত হয়েছে’  অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের কারণ জানালেন আমিরে মজলিস প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতে ইসলামের ৯ দফা দাবি সন্ধান মিলল জামেয়া দারুল মাআরিফের নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর

আলোচিত একরাম হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ৭ বছর পর গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আলোচিত ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাবেক সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামি জিয়াউর রহমান বাপ্পীকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১২ নভেম্বর) দুপরে ফেনী সদর উপজেলার ধোনসাদ্দা এলাকায় তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বাপ্পী ফেনী সদর উপজেলার মোটবি ইউনিয়নের মো. হানিফের ছেলে। তারা ফেনী শহরের বিরিঞ্চি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো।

বাপ্পীর পিতার নাম মো. হানিফ হলেও চার্জশিটে আজিজ নাম লেখা হওয়ায় তাকে গ্রেফতারের পর এই নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ বাপ্পীকে ৫৪ ধারায় আদালতে চালান দিয়ে আদালতকে বিস্তারিত অবহিত করেন। আদালত বাবার নাম সংশোধন করে তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে বলে জানা যায়।

ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নিজাম উদ্দিন জানান, চেয়ারম্যান একরাম হত্যা মামলার আসামি জিয়াউর রহমান বাপ্পীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তার বাবার নাম ও চার্জশিটে উল্লেখ করা আসামির বাবার নামের সাথে অমিল রয়েছে। নাম সংশোধনের চেষ্টা প্রক্রিয়াধীন। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

২০১৪ সালের ২০ মে প্রকাশ্য দিবালোকে ফেনী শহরের একাডেমিতে শহর থেকে উপজেলায় যাওয়ার পথে ফুলগাজীর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একরামকে গুলি করে, কুপিয়ে ও গাড়িসহ পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে স্ব-দলীয় প্রতিপক্ষের দুর্বৃত্তরা।

২০১৮ সালের ১৩ মার্চ এই মামলার রায়ে তৎকালীন ফেনীর জেলা ও দায়রা জজ আমিনুল হক আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আদেলসহ ৩৯ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

বর্তমানে এই মামলায় ২৩জন আসামি জেল হাজতে রয়েছেন। পলাতক রয়েছেন ১৬ জন। ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্তদের মধ্যে রুটি সোহেল নামে একজন জামিনে থাকা অবস্থায় র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। মামলার শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন ১০ জন। জামিন নিয়ে এখনও পলাতক রয়েছেন ৯ আসামি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ