মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শতবর্ষী কাদেমি মসজিদ সরাতে চায় মোদি সরকার, বিকল্প জায়গা নিয়ে প্রশ্ন আদালতের গোলাপগঞ্জে জামিয়া ইসলামিয়া হুসাইনিয়া ইদ্রিসিয়ার সম্মেলন ৯ নভেম্বর পেছাতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা  মহিলারা ভ্রমণকালে নামাজ কীভাবে আদায় করবেন? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ নভেম্বর পালনের নির্দেশনা জারি দ্বিতীয় পদ্মা সেতুসহ তিন মেগা প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ  কুরআনের খেদমত অব্যাহত রাখা ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি মুফতি তাকি উসমানী ও জালান্ধরীর সফরে বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজনের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নজর কাড়ছেন মুসলিম প্রার্থীরা অনলাইন বিবাদে ইসলামেরই ক্ষতি হচ্ছে: শামসুদ্দোহা আশরাফী

আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: তেহরান আফগানিস্তানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে। দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটকে এখনই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা না হলে অচিরেই তারা এই পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
সামগ্রিক বিপর্যয়ের হুমকিতে আফগানিস্তান জাতিসংঘবৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক রিপোর্টে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) জানিয়েছে, আফগানিস্তানের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) দুর্নীতির কারণে দেশটিতে দারিদ্র্যের হার ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ডেইলি বাংলাদেশ

এটা লক্ষ লক্ষ আফগানকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধার দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাছাড়া তালেবান সাধারণ ক্ষমার প্রতিশ্রুতি দিলেও তারা প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে এমন বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ জাতিসংঘের হাতে এসেছে।

আফগানিস্তানে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল দারদারি আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, বাজেট নিয়ে সমস্যা রয়েছে, রিজার্ভ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। দেশের বাইরে সংরক্ষিত ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের রিজার্ভ যদি পুরোপুরি আটকে রাখা হয়, তাহলে আফগানিস্তানে বাণিজ্য নিয়েও সমস্যা সৃষ্টি হবে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক; উভয় বাণিজ্যেই সমস্যা হবে।

তিনি আর বলেন, কোনো দেশে এই (আফগানিস্তানের মতো) পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ-সহ দ্বিপাক্ষিক ও বহু-পাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বয় করে একত্রিত হয় এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য একটি রূপরেখার প্রস্তাব করে। কিন্তু আফগানিস্তানে এমন কিছু হবে না।

তবে আফগানিস্তানের এই পরিস্থিতি নতুন নয়। গত মাসে দ্রুততার সঙ্গে তালেবান পুরো দেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগে থেকেই আফগানিস্তান ব্যাপকভাবে বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল। দেশটির মোট জিডিপিতে বিদেশি সাহায্যের অবদান এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। এই পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত থাকা কর্মীদের কাজের সুযোগ অব্যাহত রাখতে তালেবানের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে জাতিসংঘ।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে আফগানিস্তানে মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস। ফলে দেশটিতে জরুরি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি দেশটির মৌলিক সেবাসমূহ ও কর্মকাণ্ড পুরোপুরি ভেঙে পড়ার হুমকিতে রয়েছে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

সেসময় এক বিবৃতিতে গুতেরেস বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন আফগান নারী, শিশু ও পুরুষদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন। এসময় তিনি আফগান নাগরিকদের জন্য অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানেরও অঙ্গীকার করেন।

গুতেরেস আরো বলেন, আফগানিস্তানের মানুষের এই প্রয়োজনের সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসতে আমি জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। দ্রুত ও সহজতর উপায়ে আফগানদের এই সহায়তা দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ