মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ শেষ হচ্ছে আজ হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৪) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় গণহত্যা অব্যাহত: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন জাপানে আজ শীর্ষ বৈঠক, হতে পারে ৮ সমঝোতা সব সময় অজু অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের সুসংবাদ ট্রেনের টিকিট নিয়ে অভিযোগ পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা : প্রতিমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্নবের’ প্রভাবে যেসব বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা হিফজুল হাদিস প্রতিযোগিতায় জামিয়া বাইতুল করিমের দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য

কারামুক্তির পর তুরস্কে অবস্থান করছেন মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: লিবিয়ার পরলোকগত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাদি গাদ্দাফি কারামুক্তির পর তুরস্কে আছেন। শুক্রবার তার পরিবারের মুখপাত্র এ তথ্য জানান। তবে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

২০১১ সালে লিবিয়ায় গণ-আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন একদল বিদ্রোহী গাদ্দাফিকে আটকের পর হত্যা করে। সে সময় তার ছেলে সাদি নাইজারে পালিয়ে যান। ২০১৪ সালে লিবিয়া সরকারের আহ্বানে তাকে দেশটির কাছে ফিরিয়ে দেয় নাইজার। তারপর থেকে তিনি কারাবন্দী ছিলেন।

সাদি ইতালির পেশাদার ফুটবলার ছিলেন।

গত সপ্তাহে ত্রিপোলির কারাগার থেকে সাদির সাথে আরো অনেকে মুক্তি পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন গাদ্দাফির সাবেক মন্ত্রিসভার সদস্য ও গোয়েন্দা প্রধান আহমেদ রমাদান।

লিবিয়ার সাবেক তথ্যমন্ত্রী মুসা ইব্রাহিম এখনো গাদ্দাফি পরিবারের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি তুরস্কের হাবারলারডটকম নিউজসাইটকে বলেন, সাদি তার পরিবারের সাথে তুরস্কে আছেন। তিনি আরো বলেন, সাদিকে মিসর ও সৌদি আরবও স্বাগত জানিয়েছে। তুরস্কও জানিয়েছে। সাদির দিকে সবাই মিলে যৌক্তিক কারণে তুরস্কের পক্ষেই মত দিয়েছেন। সাদিও সেখানে যেতে চাইছিলেন। পরে সব ব্যবস্থা করা হয়।

সাদির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত করার পাশাপাশি ২০০৫ সালে লিবিয়ার ফুটবল কোচ বশির আল-রায়ানিকে হত্যা। পরে ২০১৮ সালের এপ্রিলে তাকে হত্যার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন আদালত।

২০১১ সালে গাদ্দাফি হত্যার পর থেকেই গন্ডগোল চলছে লিবিয়ায়। তখন থেকে দেশটির ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নামে বিরোধী দলগুলো। পরে ২০২০ সালে অস্ত্রবিরতির মধ্য দিয়ে তাদের সংঘাত থামে, খুলে যায় শান্তি আলোচনার পথ। চলতি বছরের মার্চে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে লিবিয়া। আগামী ডিসেম্বরে দেশটিতে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ