মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫) প্রেসিডেন্টের অনুমতিতে সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে মিশর সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি সতর্কতা জারি   ‘নির্বাচনের আড়ালে চাপা পড়ছে ইসরায়েলের অপরাধ’

জন্মহার বাড়াতে চীনে এবার তিন সন্তান নীতির আইন পাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জন্মহার বাড়াতে চীনে তিন সন্তানের নীতি আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত করা হলো। এখন থেকে দেশটির যে কোনো দম্পতি চাইলে তিনটি করে সন্তান নিতে পারবেন। শুক্রবার চীনের শীর্ষ আইনপ্রণেতারা ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস (এনপিসি) -এর সভায় এ আইন পাস করেন। খবর বিবিসির।

চীনের তিন সন্তান নীতি আসলে কী?

কয়েক দশক ধরে কঠোরভাবে ১৯৭৯ সালে চালু হওয়া 'এক সন্তান নীতি' কার্যকর করে আসছিল চীন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ম চালু থাকার কারণে অনেকেই সন্তান নিতে পারেননি। সন্তান নিলেও নীতি ভঙ্গের কারণে তাদের শাস্তির মুখোমুখি করা হয়। ফলে দেশটির অনেক নারীই একের অধিক সন্তান জন্মদান থেকে বিরত ছিলেন। যে কারণে দেশটিতে কয়েক প্রজন্মের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য তৈরি হয়।

এখন দেশটিতে যে জনসম্পদ রয়েছে তার বেশিরভাগই বয়স্ক। তাই অর্থনীতির উন্নতি সাধন ঘটলেও জনশক্তি প্রায় নিম্নস্তরে অবস্থান করছে। চীনে গত বছর জন্ম নেয় এক কোটি ২০ লাখ শিশু। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ৮০ লাখ। ষাটের দশকের পর এটা শিশু জন্মের সর্বনিম্ন হার দেশটিতে।

এমন পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য ২০১৬ সালে চীন এক সন্তান নীতি বাতিল করে দুই সন্তান নীতি চালু করে। কিন্তু এরপরেও চীনে জন্মহার স্থায়ীভাবে বাড়েনি। এবার দেশটির সরকার জন্মহার বাড়ানোর লক্ষ্যে দম্পতিদের উৎসাহিত করতে তিন সন্তান নিতে আইন পাস করলো।

তবে চীনের তিন সন্তান নেওয়ার এ আইন কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলছেন বিশ্লেষকরা। বড় বড় শহরগুলোতে সন্তান পালনের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান খরচ অনেক বেড়ে গেছে সেখানে। এ ছাড়া দেশটির অধিকাংশ নারী কর্মজীবী। ফলে তাদের অনেকেই একের অধিক সন্তান নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। যদিও তিন সন্তান নেওয়া দম্পতিরা সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পাবেন বলে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ