সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

তরজুমানে নদভি মাওলানা আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী রহ.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা ইমদাদুল হক।।

জন্ম: বিশিষ্ট আলেমে দীন, মুবাল্লিগ ও মুফাক্কিরে ইসলাম, শিক্ষক, লেখক, অনুবাদক, সম্পাদক, সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী (রাহ.) ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ১ অক্টোবর আলমডাঙ্গা উপজেলার কাবিলনগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তার পিতার নাম মুফাজ্জল হোসেন মণ্ডল, মাতার নাম নেকজান নেসা। তাঁর বাবা ও দাদা ফুরফুরার হুযুরদের হাতে বায়আত ছিলেন। দাদা বায়আত ছিলেন শায়খ আবু বকর সিদ্দীক (রাহ.) এর নিকট এবং বাবা বায়আত ছিলেন মাওলানা রুহুল আমীন বশিরহাটি (রাহ.) এর হাতে।

শিক্ষা: পরিবারেই মাওলানার লেখাপড়ার হাতে খড়ি হয়। তবে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া শুরু হয় মাওলানা আর্শাদুল আলম (রাহ.) প্রতিষ্ঠিত কাবিলনগর মাদরাসায়। তিনি কুষ্টিয়া কুওয়াতুল ইসলাম মাদরাসা থেকে ১৯৬৫ সালে ফাযিল এবং ১৯৬৭ সালে পাবনা আলিয়া মাদরাসা থেকে হাদীস বিষয়ে কামিল পাশ করেন। ১৯৭১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ভর্তি হন এবং অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে ১৯৭৫ সালে সেখান থেকে বের হন। তাঁর লেখাপড়া ও ব্যক্তিত্ব গঠনের পেছনে মায়ের ভূমিকার কথা তিনি বারবার উল্লেখ করতেন।

বিবাহ: তিনি আলমডাঙ্গার যাদবপুর গ্রামের মোশারেফ বিশ্বাসের মেজো কন্যা বেগম জেবুন্নেসার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর ঔরসে চারকন্যা ও একপুত্র জন্মগ্রহণ করেন। তারা হলেন: ১. যয়নব জামিলা তামান্না, ২. জামিলা কুলসুম শিরীন, ৩. জাবিদ ইকবাল টিপু, ৪. মরিয়ম জামিলা ও ৫. রুকাইয়া নারগিস নাহিদ।

কর্মজীবন: মাওলানা মাদরাসার লেখাপড়া শেষ করে কিছুদিন হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বরিশখালি হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন। তারপর কিছুদিন কাবিলনগর মাদরাসার প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যোগদান করেন। তারপর কিছুদিন টাঙ্গাইলে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানি প্রতিষ্ঠিত সন্তোষ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। এ সময় ১৯৭৮ সালের দিকে বেশকিছু দিন তিনি ‘হককথা’ পত্রিকার সম্পাদনার সাথে যুক্ত ছিলেন। তারপর রাজধানীতে ফিরে আবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যোগদান করেন।

লেখালেখি: তিনি ‘হককথা’ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন পত্রিকার সম্পাদনা করেছেন। তাঁর কিছু মৌলিক রচনাও রয়েছে। তবে পাঠক মহলে তিনি অনুবাদক হিসাবেই পরিচিত। এক্ষেত্রে তিনি ছিলেন বিস্ময়পুরুষ। আল্লামা মুশাহিদ বাই