মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮


প্রক্রিয়াধীন নিয়োগগুলো সম্পন্ন করার দাবিতে গ্রন্থগারিক চাকরি প্রত্যাশীদের মানববন্ধন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের প্রক্রিয়াধীন নিয়োগগুলো পূর্বের নিয়মে সম্পন্ন করার দাবিতে গ্রন্থগারিক ও সহকারী গ্রন্থাগারিক চাকরি প্রত্যাশীরা মানববন্ধন করেছে।

গতকাল রোজ বৃহস্পতিবার ঢাকা প্রেসক্লাব ও মাদরাসা অধিদপ্তর এর সামনে বিভিন্ন মাদরাসাতে আবেদনকৃত গ্রন্থগারিক ও সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে চাকরি প্রত্যাশীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্য দোয়া করা পূর্বক তাদের দাবিগুলো নিয়ে মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে শুভেচ্ছা বক্তব্যে গ্রন্থগার ও তথ্য বিজ্ঞান চাকুরি প্রত্যাশী ঐক্য পরিষদের সভাপতি খান সাইফুল ইসলাম বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন, এমপিওভ‚ক্ত বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজে গত দশ বছর যাবৎ গ্রন্থাগারিক ও সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর) এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে প্রায় ৯৫ শতাংশ নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ অনুযায়ী দাখিল, আলিম, ফাযিল ও কামিল মাদ্রাসায় গ্রন্থাগারিক ও সহকারী গ্রন্থাগারিকের দুটি নবসৃষ্ট পদ তৈরি করা হয়। উক্ত পদে জুলাই ২০২০ থেকে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হলেও নানা কারনে তা বাধাগ্রস্থ হয়ে ফের ২৩ নভেম্বর ২০২০ (সংশোধিত) মাদ্রাসা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায়ও উক্ত পদ দুটি বহাল থাকে, আমরা দেশের হাজার হাজার বেকার শিক্ষার্থীরা উক্ত নীতিমালা অনুযায়ী মাদ্রাসা গুলোর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া দেখে প্রতিষ্ঠানগুলোর সকল শর্তাবলী মেনে ৫০০/১০০০/২০০০ টাকার পোষ্টাল অর্ডার/ ব্যাংক ড্রাপট সহ আবেদন পত্র জমা দেই, আমরা এক এক জনে ২০/২৫ টি এমনকি তারও অধিক প্রতিষ্ঠানে আবেদন করে প্রতিজনের ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি , এই দুটি পদে নিয়োগের জন্য মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের প্রতিনিধি মনোনয়ন করা হয়েছিল সর্বশেষ ২৮ জানুয়ারী ২০২১ ইং এরপর থেকে অজ্ঞাত কারনে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মহোদয়ের মৌখিক নির্দেশনায় আজও পর্যন্ত এই দুটি পদে মহাপরিচালক মহোদয়ের প্রতিনিধি মনোনয়ন করা হয়নি।

সঞ্চালক মোস্তাফিজুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, অত্যান্ত দুঃখের সাথে আপনাদের জানাচ্ছি, স্কুল, কলেজ এই দুটি পদে গত ১০বছর যাবৎ নিয়োগ চলমান রেখে গত ৩০ মে ২০২১ ইং পর্যন্ত ৯০-৯৫০% নিয়োগের পরে উক্ত পদ দুটিকে শিক্ষক/প্রভাষক এর মর্যাদা দিয়ে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কে নিয়োগ সুপারিশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ৩১ মে ২০২১ একটি আদেশ জারি করে কিন্তু আমরা যারা মাদ্রাসায় আবেদন করেছি মাত্র দু/এক মাস নিয়োগ চলে দীর্ঘ ৬/৭ মাস পর্যন্ত সচিব মহোদয়ের মৌখিক নির্দেশনায় বন্ধ রেখে পদ দুটিকে শিক্ষক/প্রভাষক এর মর্যাদা দিয়ে উক্ত পদের নিয়োগ (এনটিআরসিএ) কে সুপারিশ করে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ গত ১৮ জুলাই ২০২১ ইং একটি আদেশ প্রকাশ করে। তাতে আমরা যারা দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন মাদ্রাসায় আবেদন করে নিয়োগের আশায় লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী প্রক্রিয়াধীন আছি, তারা আজ সর্বশান্ত হয়ে পথে নেমেছি।

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অলিউর রহমান, সভাপতি মন্ডলীর অন্যতম সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা সদস্য রাসেল আহমেদ, যুগ্ন মহাসচিব আব্দুস সালাম, যুগ্ন মহাসচিব শহিদুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ