বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ‘ক্রসফায়ারের’ নিয়ে আইজিপি বক্তব্য নাকচ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে ভালো ঘুমের জন্য যে ফলগুলো খাবেন হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৫) প্রেসিডেন্টের অনুমতিতে সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে মিশর সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি সতর্কতা জারি   ‘নির্বাচনের আড়ালে চাপা পড়ছে ইসরায়েলের অপরাধ’

হামাসের সাথে সম্পর্ক থাকার অীভযোগে সৌদি আরবে ৬৯ জনের কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সাথে সংযোগ থাকার অভিযোগে সৌদি আরবে বাস করা ৬৯ ফিলিস্তিনি ও জর্দানি বাসিন্দাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী এক আদালত। রোববার সৌদি আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ২২ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের ঘোষণা দেন।

এর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার এই ফিলিস্তিনি ও জর্দানি নাগরিককে আটক করা হয়।

সৌদি আদালত দেশটির সাথে হামাসের দীর্ঘদিন সম্পর্ক রক্ষা করা দলটির সাবেক নেতা মোহাম্মদ আল-খুদারিকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। অপরদিকে তার ছেলে হানি আল-খুদারিকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির কাছে মোহাম্মদ আল-খুদারির ভাই আবদুল মজিদ জানান, তার বিরুদ্ধে এই আদেশে অর্ধেক সাজা মওকুফের সুযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

৮২ বছর বয়সী আল-খুদারি দুই দশকের বেশি সময় সৌদি আরবে হামাসের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সৌদি রাজপরিবার, প্রশাসন ও নিরপত্তা সংস্থার সাথে হামাস নেতৃত্বের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ২০১৯ সালের এপ্রিলে আটকের আগ পর্যন্ত তিনিই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর আগে জানিয়েছিল, আল-খুদারিকে আটকের পর তাকে আইনি সহায়তা দিতে কোনো আইনজীবীর সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয়া হয়নি।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হামাস আরব বিশ্বের জনসাধারণের কাছে ফিলিস্তিনে ইসরাইলি দখলদারবিরোধী লড়াই করা প্রতিরোধ সংগঠন হিসেবে পরিচিতি, যদিও ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র একে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।

সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রশাসনও দীর্ঘদিন হামাসকে সমর্থন দিয়ে আসছিল।

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচন এবং সৌদি আরবের শাসনক্ষমতায় যুবরাজ মোহাম্মদ ইবনে সালমানের উত্থানের পর এই চিত্রে পরিবর্তন আসে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ