আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনা সংক্রমন রোধে ঈদুল আজহার পর সারাদেশে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে। সময় যত পেরিয়ে যাচ্ছে বিধিনিষেধ মানার ক্ষেত্রে ততো অনাগ্রহ দেখা দিয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চাপ কোনভাবেই কমছে না। অতি প্রয়োজনে ও কর্মে যারা ঢাকায় যাচ্ছেন ফেরি সীমিত থাকায় নদী পার হতে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটসি কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রতিদিনই ফেরিতে শত শত যাত্রী ও ব্যক্তিগত যানবাহন পারাপার হচ্ছে। ফেরি চালু থাকায় কোনভাবেই যানবাহন ও যাত্রীদের রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করলেও করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোরবিধি নিষেধ চলমান থাকায় বর্তমানে ৬টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। ফেরি স্বল্পতায় ও গণপরিবহন বন্ধের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে আসা কর্মমুখী যাত্রীরা নানান ভোগান্তি নিয়ে ফেরি ঘাটে আসছেন। ঘাটে এসেও ফেরি কম থাকায় দীর্ঘ সময় ঘাটে অপেক্ষা করে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদেরকে।
দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মজিবুর মোল্লা জানান, ফেরি সীমিত করা হলেও এ নৌরুটে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার ব্যক্তিগত যানবাহন পারাপার হচ্ছে। ঈদের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৪ হাজারেরও বেশি ব্যক্তিগত যানবাহন পার হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন নদী পারাপার করার কথা থাকলেও এসময় এ ব্যক্তিগত যানবাহনগুলো পার হচ্ছে প্রশাসনের ছাড়ের কারণে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ৩টি ইউটিলিটি ও ৩টি রোরো ফেরি চলাচল করছে।
-এএ