আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জিহাদী এবং সেক্রেটারি মাওলানা শাহ আলম কাচপুরী।
বুধবার (১৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের নিরাপত্তা আজ শূন্যেরে কোঠায়। নেই আইনের শাসন। আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় পুজিবাদীরা শ্রমিকদের রক্ত চুষে বিত্তশালী হলেও তাদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।
‘রানা প্লাজা, তোবা গার্মেন্টস, সেজান জুসের কারখানা ট্র্যাজেডির মত আর কত ঘটনা দেখতে হবে আমাদের? স্বাধীনতার ৫০ বছরেও কি শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার আদায় করা সম্ভব হয়েছে? আজো কি শ্রমিকদের আন্দোলন করতে হবে? যাদের রক্তকে ঘামে পরিনত করে দেশে নির্মাণ হচ্ছে বড় বড় অট্টালিকা তারাই আজ জীবন দিচ্ছে নির্বিচারে। স্বাধীনতা আজো প্রশ্নবিদ্ধ।’
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, বর্তমানে করোনার কারণে বারবার অপরিকল্পিত লকডাউন এবং লকডাউন চলছে অসহায় দিনমজুর মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে হিমিশিম খাচ্ছে এর মধ্যে আবার এমন ঘটনা মেনে নেওয়ার মত নয়। অবিলম্বে নিহত ও আহতদের পরিবারকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান। অথচ একটি জীবনের মূল্য কী ২ লাখ? আমরা দাবি করছি, সরকারের সহায়তায় হতাহতদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নিহতদের দশ লাখ এবং আহতদের দুই লাখ করে ক্ষতি পূরণ দেয় জোর দাবি জানান।
পরিশেষে, নেতৃদ্বয় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
-এএ