আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনাভাইরাসের টিকা সংগ্রহের গতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বলেছে, টিকা আসার যে গতি তাতে বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষকে টিকা দিতে ২০২৪ সাল লেগে যেতে পারে।
রবিবার সংসদ ভবনে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশের টিকা কূটনীতি নিয়ে আলোচনায় এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান এ কথা জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিশিল্ড টিকার পরবর্তী চালান সেপ্টেম্বর মাসে দেশে আসতে পারে।
ফারুক খান বলেন, “টিকা আনার অগ্রগতি নিয়ে আমরা আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছি। এখনকার গতি নিয়ে সন্তুষ্টির কিছু নেই। যেরকম আমরা জেনেছি প্রতিমাসে গড়ে ৫০ লাখের মতো আসতে পারে। সেই হিসাবে ১২-১৩ কোটি মানুষের জন্য ২৬ কোটি ডোজ লাগবে। তাহলে দেশের বেশিরভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে তো ২০২৪ সাল লেগে যাবে।”
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কবে নাগাদ টিকা আসবে সে বিষয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, “ভারতের সেরামের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে সেই চুক্তির আওতায় টিকা আগামী সেপ্টেম্বর মাসে পাঠানো শুরু করবে।”
গত মে মাসের বৈঠেক সংসদীয় কমিটি এই ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিল। বিষয়টি বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মন্ত্রণালয় আমাদের জানিয়েছে, ভারত দুঃখ প্রকাশ করেছে। সেজন্য কমিটি বলেছে, আইনি পথে আর যাব না।”
ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মোঃ আব্দুল মজিদ খান, মো. হাবিবে মিল্লাত ও নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশ নেন।
এনটি