রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচল করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের ব্রিক লেন জামে মসজিদের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন সেপ্টেম্বরে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত জমিয়তের ‘রক্তাক্ত জুলাই: জাতির প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভা কাল আমিরে মজলিসের সঙ্গে জাপান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারির সৌজন্য সাক্ষাৎ পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পাঁচ শতাধিক ইমাম-আলেমকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সৌদি তরুণ মাদানী গ্র্যাজুয়েটদের নিয়ে আত্মপ্রকাশ করল ‘মাদানী স্কলারস ফোরাম’ বন্যার্তদের ত্রাণের বিপুল অর্থ মাওলানা বদরুদ্দিন আজমলের হাতে হস্তান্তর বিমানবন্দর এলাকায় তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী

আযানের সময় তিলাওয়াত, যিকির, দীনি আলোচনার বিষয়ে শরিয়তের বিধান!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের।।

হারদুঈ হযরত আল্লামা আবরারুল হক হক্কী রাহিমাহুল্লাহৱ তাআলা বলেন, এই সময় একটি মাসআলাও বলে দিই৷ যদি কোন ব্যক্তি তিলাওয়াত করতে থাকে৷ বা যিকির করতে থাকে৷ তিলাওয়াত, যিকির চাই মসজিদে করতে থাকুক চাই অন্য কোথাও৷ তখন যদি আযান শুরু হয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথে তিলাওয়াত, যিকির বন্ধ করে দিবে৷ এবং আযানের উত্তর দিবে৷

আর যদি দীনি আলোচনা হতে থাকে৷ ওয়াজ হতে থাকে৷ নসিহত চলতে থাকে৷ দরস চলতে থাকে৷ তখন যদি আযান শুরু হয়ে যায়, তাহলে সেগুলো বন্ধ করে দিয়ে আযানের উত্তর দেয়া জরুরি নয়৷

হ্যাঁ, যদি এসব বন্ধ করে দিয়ে আযানের উত্তর দেয়, তাহলে সেটিও নিষেধ নয়৷ তবে যদি আলোচনা শেষ হয়ে থাকে, তাহলে বন্ধ করে আযানের উত্তর দিতে হবে৷ আর যদি আলোচনা বাকী থাকে এবং পরে আর আলোচনা শেষ করার সুযোগ না থাকে৷ সময়ের স্বল্পতা থাকে, তাহলে আলোচনা চালু রাখতে পারবে৷ এবং আলোচনা শেষ করতে পারবে৷

হযরত বলেন, প্রত্যেক অবস্থার বিধান আলাদা আলাদা৷ অবস্থার পরিবর্তনে তার বিধানও পরিবর্তন হয়ে যায়৷ যেমন, একজন ডাক্তার রোগীকে জিজ্ঞেস করলো শরীরে জ্বরের পরিমান কতো৷ বলা হলো, সারে আটা নব্বই ডিগ্রী৷ উত্তর শুনে ডাক্তার সাহেব বললেন, আরে রোগী তো সুস্থ৷ এটি জ্বর নয়৷ বরং শরীরের তাপ৷

আর যদি বলা হয়, জ্বর নিরানব্বই বা একশো ডিগ্রী হয়ে গেছে, তখন ডাক্তার সাহেব বলেন, তাহলে তো রোগী জ্বরে আক্রান্ত৷ রুটি খাওয়া বন্ধ৷ গোশত খাওয়া বন্ধ৷ খানাপিনা সব বন্ধ৷ এখানে রোগীর ফর্মূলা দুই রকম হওয়ার কারণ কী? কারণ হলো, শরীরের তাপমাত্রার পরিবর্তন৷ থারমো মিটারের পয়েন্ট ওঠানামা করার কারণে রোগীর অবস্থা ভিন্ন রকম হওয়াতে সাথে সাথে ডাক্তার সাহেবের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়ে গেছে৷ বিধান পরিবর্তন হয়ে গেছে৷ সুতরাং বুঝতে হবে, মানুষের শারিরীক অসুস্থতার অবস্থাভেদে যেমন চিকিৎসা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে যায়, ইসলামের বিধানও ব্যক্তির অবস্থার প্রকারভেদে শরীয়তে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে৷ এই কথ বলার সুযোগ নেই যে, ইসলামে একই বিষয়ে বিধান ভিন্ন ভিন্ন আরোপ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়েছে৷

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ