বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জ্ঞান-গরিমায় উঁচু পাহাড় ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার  আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক একাগ্রতার সালাত টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’  চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে জমিয়তের শোক সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশন’র শোক

এলার্জি জনিত নানাবিধ সমস্যা ও প্রতিরোধের উপায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ডা. ইসমাইল আজহারি: এলার্জি: এলার্জি হচ্ছে ইমিউন সিস্টেমের একটা দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যা পরিবেশের কোনো এলার্জেনের কারণে শরীরে হাইপারসেনসিটিভিটি দেখায় কিংবা অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া দেখায়।

এলার্জেন: যদি কোনো বস্তু বা উপাদান কোনো মানুষের শরীরে হাইপারসেনসিটিভ রিয়েক্ট দেখায় সেসব বস্ত বা উপাদন সমূহ সেসব মানুষের জন্য এলার্জেন।

এলার্জিক রিয়েকশন: কোন অ্যালার্জেন শরীরের সংস্পর্শে এলে শরীরে যেসব অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় তাকে এলার্জিক রিঅ্যাকশন বলে। আবার এটাকে হাইপেরসেন্সিটিভিটি রিয়েকশনও বলা হয়। হাইপারসেনসিটিভিটি রিঅ্যাকশন কে চার ভাগে ভাগ করা যায়, তবে চার প্রকারের মধ্যে টাইপ-১ হাইপারসেনসিটিভিটি নিয়ে এখানে আলোচনা করবো।
কোন অ্যালার্জেন দ্বারা শরীরের যেসব হাইপারসেনসিটিভিটি রিয়েকশন দেখা দেয় তাকে টাইপ ওয়ান হাইপারসেনসিটিভিটি রিঅ্যাকশন বলা হয়।

এলার্জি হিসেবে স্বাভাবিকভাবে আমরা যা বুঝে থাকি তা মূলত টাইপ ওয়ান হাইপারসেনসিটিভিটি রিঅ্যাকশনকে বোঝায়।
এলার্জিক সাধারণ প্রতিক্রিয়া সমূহ:

এলার্জিক রাইনাইটিস: অনেক সময় দেখা যায়, বৃষ্টিতে ভিজলে, পুকুরে গোসল করলে, ধুলোবালিতে গেলে, একটু ঠান্ডা লাগলে বা কোনো ঠান্ডা পানীয় পান করলে কারো কারো সর্দি কাশি শুরু হয়। আবার একই কাজগুলো অন্যরা করলে তাদের কিছুই হয় না।

তাহলে বোঝা গেল বৃষ্টির পানি, ধুলোবালি , পুকুরের পানি বা ঠান্ডা জলীয় বস্তু কারো জন্য অ্যালার্জেন হিসেবে কাজ করে আর কারো কারো জন্য এটা স্বাভাবিক হিসেবে থাকে। এই স্বাভাবিক বস্তুগুলো যাদের জন্য অ্যালার্জেন হিসেবে কাজ করে তাদের সর্দি কাশি শুরু হয়ে যায় তাকে এলার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

এলার্জিক রাইনাইটিস হলে সাধারণত শ্বাসযন্ত্রের মিউকাস মেমব্রেন সমূহ আক্রান্ত হয় এবং হিস্টামিনের প্রভাবে সেখান থেকে প্রচুর পরিমাণ মিউকাস তৈরি হয়।

শ্বাসযন্ত্রে লুউকোট্রিন নামক এক প্রকার পদার্থ তৈরি হয় যা কাশি তৈরিতে শ্বাসযন্ত্র কে উত্তেজিত করে। তাহলে আমরা বুঝতে পারলাম, নাক দিয়ে পানি পড়া তথা সর্দি কাশি, সঙ্গে হালকা গায়ে গায়ে জ্বর থাকা এসবকিছু অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের কারণে হয়ে থাকতে পারে। অনেক সময় রাইনো ভাইরাস এলার্জি হিসেবে কাজ করে।
এলার্জিক কনজাংটিভাইটিস বা চোখের এলার্জি:

এলার্জিক কনজাংটিভাইটিস মূলত চোখের একটি এলার্জি জনিত রোগ। এসময় চোখ লাল হয়ে থাকে। চোখ থেকে পানি পড়ে, ব্যথা করে।

৬ থেকে ১২ বছরের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা বেশি দেখা দেয়। যাদের শরীর কোনো নির্দিষ্ট অ্যাà¦