দরস-তাদরিসের বাইরেও বিকল্প পেশায় যুক্ত হচ্ছেন কওমি পড়ুয়া নবীন আলেমরা। নবীনদের এই বিকল্প ও ভিন্ন কর্মসংস্থান এখনো হয়ে ওঠেনি ততটা মসৃণ ও বিস্তৃত। তাদের নতুন পথচলাকে বাস্তবিক অর্থেই মসৃণ করতে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ শিক্ষা অথরিটি আল হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকের ভূমিকা রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? নতুনভাবে পথ চলতে গিয়ে তরুণরা আসলেই কতটা সরে যাচ্ছেন আকাবির আসলাফের দেখানো পথ থেকে- এ নিয়ে আওয়ার ইসলামের সাথে কথা বলেছেন প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও রাজধানীর দারুর রাশাদ মাদরাসার শিক্ষাসচিব মাওলানা লিয়াকত আলী। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন আওয়ার ইসলামের সাব এডিটর নুরুদ্দীন তাসলিম। পাঠকের জন্য তিন পর্বের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকারের শেষ পর্ব তুলে ধরা হল আজ।
-তরুণ আলেমদের বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরিতে বেফাক-হাইয়ার বিশেষ কোন ভুমিকা রাখার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন কি?
মাওলানা লিয়াকত আলী: কওমি তরুণদের বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রে বেফাক-হাইয়ার দৃষ্টি দেওয়া আবশ্যকীয় বলে আমি মনে করি। কেননা বেফাক- হাইয়া নিছক কোন শিক্ষাবোর্ড নয়; বরং এটি আমাদের ওলামায়ে কেরামের অভিভাবক পরিষদ বলা যেতে পারে। সরকারি শিক্ষাবোর্ড-এর মত এই বোর্ডের দায়িত্ব শুধু শিক্ষা কারিকুলাম ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা নয়। ওলামায়ে কেরামের সার্বিক দেখাশোনা ও সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করাও বোর্ড কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এজন্যই বর্তমানে তরুণ আলেমদের কর্মসংস্থানের যে সঙ্কট দেখা দিয়েছে এটা নিয়ে বেফাকের ভূমিকা পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে দাওরায়ে হাদীসকে মাস্টার্সের মান দিয়েছেন -এর সদ্ব্যবহারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বোর্ডকে।
দাওরায়ে হাদিসের সনদকে সদ্ব্যবহারের পদ্ধতি হতে পারে; আমাদের দেশের স্কুলগুলোর ধর্মীয় শিক্ষকের পদ ও কলেজ ভার্সিটিগুলোর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে কওমি মাদরাসায় পড়ুয়া আলেমরা যেন এপ্লাই করতে পারেন এ বিষয়ে সরকারের সাথে বোঝাপড়া করাও হাইয়াতুল উলিয়ার অন্যতম দায়িত্ব।
সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আলিয়া মাদরাসা, স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষকের পদ ও ভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কওমি পড়ুয়ারা সুযোগ পেলে -এর মাধ্যমে তাদের বিকল্প পেশার দ্বার আরও উন্মোচিত হবে। এসবের ব