বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় ধ্বংস ইস্যুতে ইসরায়েলকে ভারত প্রেসক্লাবের নিন্দা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজায় কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-এর অফিস ধ্বংস  করেছে ইসরায়েল। ভবনটি ছিল সাংবাদিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের আবাসস্থল। ইসরায়েলের এই বর্বর বোমা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইন্ডিয়ান ওমেনস প্রেস কর্পস, প্রেস অ্যাসোসিয়েশন এবং প্রেসক্লাব অব ইন্ডিয়া।

প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল রবিবার (১৬ মে) এক বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের কার্যালয়ে বোমা হামলা এবং তাদের কর্মীদের লক্ষ্য বানানোর কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একইসঙ্গে যেসব সাংবাদিক পেশাগত কারণে সহিংসতাকবলিত এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন তাদের ওপর হামলা বন্ধ করার দাবি জানাই।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত শনিবার (১৫ মে) গাজা উপত্যকায় হামলা চালিয়ে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী  আল-জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একটি ভবন বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছে।

ভবনটিতে আল-জাজিরা, মিডল ইস্ট আই, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও অন্য আরও কয়েকটা সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় ছিল। এর আগে ভবনটি উড়িয়ে দেওয়ার আগে সেখান থেকে সংবাদকর্মীদের চলে যেতে একঘণ্টার সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়েছিল।

আলজাজিরার সাংবাদিক বলেন, গত ১৫ বছর ধরে ভবনটি কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করে আসছে তারা। সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথি ও যন্ত্রপাতি বের করে নিয়ে আসতে পারেনি।

ভবনটি ধ্বংস করে দেওয়ার আগে অতিরিক্ত সময় চাইলে ইসরায়েলি গোয়েন্দা বাহিনী তা দিতে অস্বীকার জানিয়েছে। এই ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা সামাজিকমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করেছেন বেশ কয়েকজন সাংবাদিক। মিডল ইস্ট আইয়ের সাংবাদিক মোহাম্মদ হাজারকেও জোর করে ভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

এনটি