মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
অনুমোদনহীন ডিগ্রি, তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ ২২০ আসনে লড়বে জামায়াত, বাকিগুলো শরিকদের ‘যারা বলে শরিয়া কায়েম করবে না শরিকদের উচিত তাদের সঙ্গ ত্যাগ করা’ দুই পদে জনবল নেবে জামিয়া মাদানিয়া দারুল উলুম ঢাকা কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির আবুল হাশেমের দাফন সম্পন্ন রাজধানীর জামিয়া দারুস সুন্নাহ ক্বাওমিয়া মাদরাসায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি গাজায় ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ ভাইরাস, ভেঙে পড়ার মুখে স্বাস্থ্যব্যবস্থা কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, ৪০০ ঘর পুড়ে ছাই একমাত্র বিএনপির কাছেই ইসলাম নিরাপদ: দুলু ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দ্বিতীয় রোডম্যাপ প্রকাশ

সচেতনতা ছাড়া করোনা মোকাবিলা সম্ভব নয়: পলক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সারাদেশের ন্যায় নাটোরে করোনা সংক্রমণের হার অনেকাংশে বেড়েছে। গত ১৩ মাস ধরে নাটোরে করোনা পরিস্থিতি ভালো ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ করে দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার সংক্রমণের হার কিছুটা বেড়ে গেছে। জাতীয় সংক্রমণের হারের চেয়েও নাটোরে সংক্রমণের হার বেশি। এই পরিস্থিতিতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

শনিবার দুপুরে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধে নাটোর জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ কার্যক্রম এবং আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক শাহরিয়াজের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে হলে সকলকে মাস্ক পরিধান করা, ভ্যাকসিন গ্রহন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসাধারণকে অপ্রয়োজনে বাইরে না বেড়ানোসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে। জেলার সাতটি উপজেলার সাতটি হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টার প্রস্তুত করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, সারাবিশ্বেই অক্সিজেন ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কাজেই সচেতনতা ছাড়া করোনা মোকাবিলা সম্ভব নয়। তবে সরকার অক্সিজেন সরবরাহের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে সিংড়ায় সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ শুরু হয়েছে। নাটোর সদর হাসপাতালেও খুব শিগগিরই চালু করা হবে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ হলে সেখানে আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন করে করোনার চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হতো। কিন্তু ঠিকাদার কাজে বিলম্ব করছে বিধায় সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য তাদের বড় ধরনের শাস্তি দেয়া প্রয়োজন। এটা ঠিকাদার বা স্বাস্থ্য বিভাগের গাফিলতি কিনা তা তদন্ত করা প্রয়োজন।

ত্রাণ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তিনি বলেন, করোনাকালীন সময়ে কর্মহীন ও দরিদ্র মানুষকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল রাখা ও খাদ্য সহায়তা দেয়া প্রয়োজন। এজন্য সরকার নাটোরে প্রায় ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। বরাদ্দকৃত এসব অর্থ সঠিকভাবে বন্টন ও তাদের কাছে পৌঁছে দিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাসহ সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে কিউ আর কোড দিয়ে দরিদ্রদের মধ্যে এসব সহায়তা বিতরণ করা হবে। যাতে কেউ প্রতারিত না হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ