শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
গত ২৪ ঘণ্টায় ১ শিশুসহ হাম ও উপসর্গে এখন পর্যন্ত ৬৪৩ মৃত্যু ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের চিন্তার কিছুই নেই: গভর্নর কোনো শ্রেণি বা পেশা এবার বাজেটের বাইরে নেই: অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপ ফুটবল: বিজাতীয় সংস্কৃতি চর্চায় ভয়ংকর উন্মাদ তরুণ প্রজন্ম!  সীমান্তে বিজিবির দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা পীরের সাহেব চরমোনাইয়ের দীনি লেবাস ও নৈতিকতার বিতর্ক: বাস্তবতা বনাম ন্যারেটিভ হিজরি সন: মুসলিম জাতিসত্তার গৌরবময় পরিচয় প্রস্তাবিত বাজেট দেশকে ঋণের দাসত্বে বাঁধার পাঁয়তারা: আমিরে মজলিস ‘প্রাথমিকে ইসলামবিরোধী অপসংস্কৃতি চাপানোর চক্রান্ত রুখে দেওয়া হবে’ পবিত্র কাবার গিলাফ পরিবর্তনের সময় জানালো সৌদি কর্তৃপক্ষ

ইউসুফ আল কারজাভির ইন্তেকালের সংবাদটি গুজব, বললেন ছেলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নুরুদ্দীন তাসলিম।।

ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ মুসলিম স্কলারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ আল কারজাভির ইন্তেকালের সংবাদ সঠিক নয়। তার ইন্তেকালের সংবাদকে গুজব বলে নিশ্চিত করেছে আলজাজিরা মিশর।

আল জাজিরা মিশরের ফেসবুক পেইজে শেখ ইউসুফ আল কারজাভির ছেলে আব্দুর রহমান আল কারজাভির বরাতে বলা হয়েছে, আব্দুর রহমান ইউসুফ আল কারজাভি তার পিতার মৃত্যুর খবরকে অস্বীকার করেছেন এবং তিনি বলেছেন, আমার বাবা বেঁচে  আছেন।

রবিবার মধ্যরাতে বাংলাদেশ, মিশরসহ বিভিন্ন দেশে প্রখ্যাত এই ইসলামিক স্কলারের ইন্তেকালের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পরেই আল জাজিরা মিশরের ফেসবুক পেইজে তার ইন্তেকালের খবরকে গুজব বলে দাবি করা হয়।

এর আগে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ মুসলিম স্কলারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ আল কারজাভির করোনা আক্রান্তের খবর নিশ্চিত করা হয় তার অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে।

আল কারাজাভির একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এক টুইট বার্তায় জানানো হয়, বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শেখ আল কারাজাভি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তবে তিনি সুস্থ আছেন এবং মহান আল্লাহর নিকট আরোগ্য লাভের  প্রার্থনা করছেন। তিনি তার অনুসারী এবং মুসলিম উম্মাহর নিকট নিজ সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

ইউসূফ আল-কারযাভী হলেন একজন মিশরীয় ইসলামিক স্কলার। ইসলামিক বিভিন্ন বিষয়ে লেখা তার কয়েকশ গ্রন্থ রয়েছে। সবগুলোই পাঠক মহলে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। আল জাজিরা টেলিভিশনে শরীয়াহ এবং জীবন নামক তার অনুষ্ঠান তাকে পৃথিবীব্যাপি পরিচিত করে তোলে। তিনি মিশর ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুড এর পরামর্শক। তাকে ব্রাদারহুড়ের শীর্ষস্থানীয় নেতা মনে করা হয়। তিনি আলেমদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইত্তেহাদুল আলামী লি উলামাইল মুসলিমীন এর সভাপতি ছিলেন।

ইসলামী শিক্ষায় অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক বাদশাহ ফয়সাল পুরস্কারের জন্য তাকে সিলেক্ট করা হয়। মুসলিম বিশ্বের নোবেল খ্যাত এ পদক তিনি পান ১৪১৩ হিজরীতে।

বাংলায় অনুদিত তার বই সমূহ

সুন্নাহর সান্নিধ্যে, ইসলামী পুনর্জাগরণ: সমস্যা ও সম্ভাবনা, ইসলামে হালাল হারামের বিধান, ঈমান ও সুখ, বুদ্ধিদীপ্ত জাগরণের প্রত্যাশায়,
ইসলামের বিজয় অবশ্যম্ভাবী, আধুনিক যুগ ইসলাম কৌশল ও কর্মসূচী, ইসলাম ও চরমপন্থা, ইসলাম ও শিল্পকলা, ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থাঃ তত্ত্ব ও প্রয়োগ, ইসলামে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, ইসলামে এবাদতের পরিধি, ইসলামে দারিদ্র বিমোচন, ইসলামের যাকাতের বিধান ১ম ও ২য় খণ্ড,
জেরুজালেম বিশ্ব মুসলিম সমস্যা।

 

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ