আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তানের রাজধানীতে সিনেট নির্বাচনে পরাজয়ের পর পার্লামেন্টে আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দলীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমন খবর প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
গতকাল বুধবার (০৩ মার্চ) পাকিস্তানে ৯৬ সদস্যের পার্লামেন্টে উচ্চকক্ষ সিনেটের ৪৮ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে ভোট দেন দেশটির প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদের আইনপ্রণেতারা। ওই নির্বাচনে ক্ষমতায় থাকা পিটিআই ১৮ টি, পিপিপি চারটি, পিএমএল-এন পাঁচটি নতুন আসন পেয়েছে।
ইসলামাবাদ থেকে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি। তার কাছে হেরেছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী আবদুল হাফিজ শেখ। এর পরপরই ইমরান খানকে সন্মানের সঙ্গে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন উল্লাসিত বিরোধীরা।
এদিকে, চারটি আসন পাওয়া পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলওয়াল ভুট্টো জারদারি সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন, ইমরান খানের যদি কোনও সম্মান থাকে, তবে তার নিজেরই পদ থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত। ইমরান খানের আজই পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে, পাকিস্তান গণতান্ত্রিক আন্দোলন (পিডিএম) জোটের সমর্থন পেয়েছেন পিপিপির প্রার্থী গিলানি। গিলানি-শেখের এই লড়াইয়ে ব্যাপক প্রতীকী মূল্য রয়েছে ওই দেশটির নির্বাচনে।
পাকিস্তান গণতান্ত্রিক আন্দোলন জানিয়েছে, গিলানির বিজয়ের অর্থই হচ্ছে, অনাস্থা ভোটের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। আর বিলাওয়াল বলছেন, ‘এটি গণতন্ত্রের বিজয়। গণতন্ত্রই হচ্ছে সর্বোত্তম প্রতিশোধ।’
আইন প্রণেতাদের ভোট পেতে বিরোধী দলগুলো অসাধু উপায় অবলম্বন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ কুরাইশি। তিনি জানিয়েছেন, ইমরান খান ও তার দল সর্ব সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, পার্লামেন্টে আস্থা ভোট চাইবে প্রধানমন্ত্রী।
-এটি