বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জ্ঞান-গরিমায় উঁচু পাহাড় ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার  আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক একাগ্রতার সালাত টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’  চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে জমিয়তের শোক সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশন’র শোক

বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলার গুরুত্ব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মহিউদ্দীন ফারুকী।।

ভাষা আল্লাহ তাআলার অন্যতম সেরা দান। আল্লাহ তাআলার অসংখ্য নিআমতের মাঝে এক মহান নিআমত । কুরআনে কারীমে তিনি ইরশাদ করেন: (তরজমা) ‘তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে আকাশ-মণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র। -সূরা রূম : ২২
সুতরাং এই নিআমতের শুকরিয়া আদায় করা সকলের একান্ত কর্তব্য। এই নিআমতের শুকরিয়া আদায়ের পদ্ধতি শুধু ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা নয়; বরং এই নিআমতের শুকরিয়া আদায়ের সঠিক পদ্ধতি হল প্রত্যেকের নিজ নিজ ভাষাকে আপন করে নেওয়া এবং সেই ভাষায় বিশেষ দক্ষতা অর্জন করা। লেখা ও বলায় সেই ভাষার বিশুদ্ধ রূপটি ব্যবহার করা। সুস্পষ্ট ও সুন্দর করে কথা বলা। অশুদ্ধ ভাষা ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।

সমস্ত নবী-রাসূল, সাহাবা, তাবেয়ীন এবং প্রত্যেক দেশের আলেম-ওলামা, জ্ঞানী-গুণীরা এভাবেই এই নিআমতের শুকরিয়া আদায় করেছেন। শুদ্ধ ভাষায় কথা বলেছেন। বিশুদ্ধ ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন। সুন্দর ও সুস্পষ্ট বাচন-ভঙ্গি আর আকর্ষণীয় ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে ইসলামের সুমহান বাণী সকলের নিকট পৌঁছে দিয়েছেন।

বিশুদ্ধ ভাষাই পারে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে। একজন মানুষের ব্যক্তিত্বকে অর্থবহ করে যেসব গুণ, সেগুলোর মাঝে বিশুদ্ধ ভাষা ও সুস্পষ্ট উচ্চারণে কথা বলা অন্যতম। নেতৃত্বের অন্যতম গুণ বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলা। কারণ এর মাধ্যমে শ্রোতা ও অধীনদের উপর সহজেই প্রভাব ফেলা যায়। মূলত বিশুদ্ধ ভাষা প্রাণ-মনকে দেয় তৃপ্তি আর চিন্তাচেতনাকে দেয় দীপ্তি।

বিশুদ্ধ ভাষায় খুতবা প্রদান করা, সুন্দর উচ্চারণে ও স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারা আমাদের নবীজীর অনুপম সুন্নত। আমাদের আকাবির ও আসলাফের ঐতিহ্য। তাদের আলোচনা, বক্তৃতায় বিশুদ্ধ ভাষা ব্যবহারের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আজও বিদ্যমান। তাদের লেখনী ও রচনায় রয়েছে ভাষার সাহিত্য ও আলংকারিক উচ্চমান।

বিশুদ্ধ ভাষার সম্মোহনী শক্তি আর মন-মস্তিষ্কে প্রভাব বিস্তারের উচ্চমানসম্পন্ন ক্ষমতার বিষয়টির সত্যতা, ও বাস্তবতা বুঝে আসে যখন দেখতে পাই যে, আল্লাহ তাআলা সমস্ত নবী ও রাসূলকে তাঁদের আপন সম্প্রদায়ের ভাষা দিয়ে প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেছেন: (তরজমা) ‘আমি প্রত্যেক নবীকেই তার জাতির ভাষা দিয়ে প্রেরণ করেছি যাতে তাদের সামনে তারা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।’ -সূরা ইবরাহীম ১৪ : ৪

আর বাস্তবেই দেখা গেছে যে, নবী-রাসূলগণ তাঁদের স্বজাতির ভাষায় সর্বশ্রেষ্ঠ সুভাষী হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন। বাগ্মী ও সুবক্তা ছিলেন।
বিশুদ্ধ ভাষা ব্যবহারের গুরুত্ব আরো সুন্দর বুঝে আসে যখন দেখতে পাই মূসা আলাইহিস সালাম তাঁর ভাà