বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা মহানগরীতে দিনের বেলায় ২ শিফটে বর্জ্য পরিষ্কারের নির্দেশ হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কর্মসূচি বেফাকের ১২২ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিল দ্বীনি চেতনা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা: বাড়ছে তেলের দাম অবহেলায় মায়ের মৃত্যু, শাস্তির মুখে সেই যুগ্ম সচিব কিশোরগঞ্জে খেলাফত ছাত্র মজলিসে যোগ দিলেন ৩৬ শিক্ষার্থী শাহজালালে ১৫০ হাজির লাগেজ কাটার অভিযোগ, তদন্তে কর্তৃপক্ষ রুমিন ফারহানার মন্তব্যের নিন্দা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউরোপের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন সংকট তৈরি করবে: খেলাফত মজলিস গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সর্বপ্রথম রাজপথে নেমেছি আমরা: আমিরে মজলিস

ইলমি খেয়ানত: দরস ও শিক্ষক দুইপ্রকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

তানভীর সিরাজ।।

আমরা যদি সচেতনতার সাথে এবং দরদি মালীর মতো মাদরাসা নামক জান্নাতের বাগান আর তার দরসের দিকে লক্ষ্য করি তাহলে দেখব শিক্ষক-শিক্ষিকা দুইপ্রকার।

ক. এমন শিক্ষক-শিক্ষিকা যিনি হারদম তালিবুল ইলমদের উন্নতির ফিকির করেন। যিনি দরস আর ক্লাসে নয় শুধু, তার বাইরেও ছাত্রদের অগ্রগতির চিন্তা করেন। কীভাবে ছাত্রদের সময়ের হেফাজত হবে? কীভাবে তালিবুল ইলমের দিনদিন তারাক্কি হবে? কীভাবে অমনোযোগী ছাত্রদের মনোযোগী করা যাবে? আর কীভাবে অল্পতেই ছাত্রদের পড়া বুঝানো যাবে ইত্যাদি। যাতে করে তাদের সবদিকে ফায়দা হয়। তিনি হলেন দরদি উস্তাদ। এমন শিক্ষক-শিক্ষিকার ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীরা তৃপ্তি সহকারে জ্ঞানের সাগরে সাঁতার কাটতে থাকে।

খ. দ্বিতীয় প্রকার হলো এমন শিক্ষক-শিক্ষিকা যিনি পড়ার নামে ক্লাস ফাঁকি দেন। ক্লাস ফাঁকি দেওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকা আবার দুই প্রকার।

ক. যারা ভালো করে মুতা'আলা করে আসেন না, বা কিতাব বুঝেন না। আরবি কিতাব / ইংরেজি বই অনুবাদ, বা ব্যাখাবই দেখে ক্লাস নেন, কিংবা বুঝাতে অক্ষম প্রায়, তাই তারা ক্লাসে মূল পড়া বাধ দিয়ে উপরের আর নীচের জামাতের অপ্রয়োজনীয় কথা ও গল্পগুজব, কিংবা বিভিন্ন অপ্রসাঙ্গিক কথা বলে বলে সময় পার করেন। এমন শিক্ষক আর শিক্ষিকা দ্বারা ছাত্রদের উন্নতি আশা করা নিরাশার শামিল।

খ. আরেক প্রকার শিক্ষক-শিক্ষিকা আছেন যারা মূলতই ক্লাস ফাঁকি দেন। প্রতিদিন দরসে আসেন না। এবং নিজ স্কন্ধে থাকা দায়িত্বও পালনে যথেষ্ট গড়িমসি করেন - এমন শিক্ষক-শিক্ষিকা দিয়েও ছাত্রদের উন্নতি আশা করা নিরাশার শামিল। এভাবে ক্লাস বা দরসও বিভিন্ন প্রকারে রূপান্তরিত হয়! আফসোস। শুধুই আফসোস।

আর এসবগুলো হল ছাত্র আর ছাত্রীদের ইলমি খেয়ানত। যে খেয়ানত কখনও পরিশোধ করার নয়। পরে ছাত্র আর ছাত্রীদের জীবন যায় অতল গভীরে নিরাশার সাগরে। দোষ কার? শিক্ষক-শিক্ষিকার, নাকি ছাত্র - ছাত্রীর? যেকারণে আজকাল হাউস টিউটর, বা প্রাইভেট নামক ব্যবসার রমরমা অবস্থা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ