মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমী।।
নতুন বছর ২০২১ সাল দরজায় কড়া নাড়ছে। বিদায় নিচ্ছে বহুল আলোচিত ২০২০ সাল। কালের গর্ভে বছরটি বিলীন হতে চলেছে। তবে ইতিহাসের পাতা থেকে কোনো দিন একে মুছে ফেলা যাবে না। অন্যান্য অঙ্গনের মতো বিদায়ী বছর দ্বীনি অঙ্গনের জন্যও ছিল বিষাদময় একটি বছর। কারণ এই একটি বছরে বাংলাদেশে আমরা হারিয়েছি শ্রদ্ধাভাজন ও শীর্ষস্থানীয় আলেমদের। অল্প সময়ের ব্যবধানে এতজন প্রতিথযশা আলেমের বিদায় বাংলাদেশের ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত বিষাদময়।
এসকল ওলামায়ে কিরাম পবিত্র কুরআন-হাদিসের শিক্ষা বিস্তার এবং দ্বীনের খেদমতে সারা জীবন ত্যাগ স্বীকার করেছেন। শিরক, বিদআত ও কুসংস্কারমুক্ত জীবন গঠনে মানুষকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। সুন্নাতে রাসূলের পরিপূর্ণ অনুসরণসহ মানবতার কল্যাণে জীবন ব্যয় করেছেন। মূলত আমাদের মাঝে তাদের অবস্থান ছিলো রহমতস্বরূপ। তারা ছিলেন আমাদের অভিভাবক। ২০২০ সালে ইন্তেকাল হওয়া আলেমদের মধ্যে কয়েকজনের কথা এখানে উল্লেখ করছি।
আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.
চট্টগ্রামের আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম, হাটহাজারীর সাবেক মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. গত ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইন্তেকাল করেন। তিনি পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়ায় আজগর আলী হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৩ বছর।
দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো এবং বড় মাদরাসা হিসেবে পরিচিত হাটহাজারী দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসা। এই মাদরাসার মহাপরিচালক হিসেবে কওমি মাদরাসাগুলোর নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ছাড়াও কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাক ও কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ছিলেন।
আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী রহ.
শায়খুল হাদিস আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী রহ. গত ১ ডিসেম্বর অসুস্থ হয়ে গুলশান ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হলে ১০ ডিসেম্বর দুপুরে এইচডিইউ ইউনিটে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৩ ডিসেম্বর, রোববার দুপুর ১টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব, জামিয়া মাদানিয়à¦