বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংকগুলোতে দুই শ্রেণীর লোকের সমন্বয় থাকা জরুরি ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৭৩ সৌদিতে ১৯ হাজার কর্মী নিয়োগের ঘোষণা হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে রাজনৈতিক নেতাদের আগে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: চট্টগ্রাম-ঢাকা লেনে ট্রেন চলাচল বন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ. স্মারকগ্রন্থ উচ্ছেদ করা হচ্ছে মোদির বাসভবনের পাশের শতবর্ষী মসজিদ সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৯৬৩ শিশুর মৃত্যু তায়েফ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্ব পেলেন শায়খ সুদাইস

রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশিদের জিম্মি করছে, এটা দু:খজনক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশিদের জিম্মি করছে। এগুলো মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন মানিক শিকদার নামে একজন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেছেন, রোহিঙ্গারা ভাসানচরে যাওয়া নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে। মানবতার খাতিরে আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলাম এখন আমাদের জিম্মি করছে।

ডয়চে ভেলের পাঠক ভাবনায় এমন আরো কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা রোহিঙ্গাদের আচরণ নিয়ে নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন। এদের মধ্যে দুঃখ করে রায়ান খান নামে একজন বলেছেন, আমাদের দেশের কত মানুষের বসত বাড়ি ঘর ভিটা নেই। আর তাদেরকে এইভাবে সুযোগ করে দেওয়ার পরেও তারা যেতে চাইছে না। তবে সরকারের এ ব্যাপারে এত নমনীয়তা দেখানোর কারণ বুঝতে পারছি।

রোহিঙ্গাদের নিয়ে জাকির হোসেন নামে একজন বলেছেন, একেই বলে 'দুধ কলা দিয়ে সাপ পোষা।

এদিকে, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে বসবাসের সুযোগ দেয়াকে একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন মোহাম্মদ আরশাদ। তিনি বলেছেন, দুনিয়ার সব দেশে শরণার্থী শিবিরগুলি সীমান্ত এলাকায় হয়ে থাকে। এতে শরণার্থীদের মনের মধ্যে নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার একটা ঝোঁক থাকে। কিন্তু ভাসানচরে স্বাধীনভাবে বসবাসের সুযোগ দিলে তারা নিজ দেশে ফেরত যেতে চাইবে না।

এর আগে, ভাসানচর দেখে ফিরে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী দলের সদস্যরা সেখানকার সার্বিক অবকাঠামোকে ভালো বললেও থাকার ঘরের আকার নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছেন। তাদের মতে, ওই ঘরে দুই-তিন জনের বেশি থাকা সম্ভব নয়। তাদের কেউই এখনো ভাসানচরে গিয়ে থাকার পক্ষে মত দেননি। তারা বলছে, ঘর ছোট, ভাসানচরে থাকবো কিভাবে?

বিশ বছরেরও কম সময় আগে ভাসান চর জেগে উঠেছিল। নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ভাসানচরের অবস্থান। সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচরে আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাস থেকে সেখানকার ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা রক্ষা করতে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ তৈরি করেছে। এক লাখ রোহিঙ্গার বসবাসের জন্য ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে সেখানে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ