বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জ্ঞান-গরিমায় উঁচু পাহাড় ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার  আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক একাগ্রতার সালাত টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’  চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে জমিয়তের শোক সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশন’র শোক

যুগে যুগে, দেশে দেশে মাহামারীর সময়ে মসজিদ মাদরাসা বন্ধের ইতিহাস!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আব্দুল কাদির আল মাহদি ।।
বার্সেলোনা, স্পেন>

যুগে যুগে, দেশে দেশে মাহামারীকালীন মসজিদ মাদ্রাসা বন্ধের ইতিহাস। মার্সিফুল ইংলিশ চ্যানেল থেকে আব্দুল কাদির আল মাহদির অনুবাদ করা তথ্য।

ইতিহাসের দিকে থাকলে দেখতে পারব। প্রতি যুগে ভিবিন্ন সময়ে পৃথীবিতে মহামারী আঘাত এনেছিল। বিশেষত আত তাবারী, ইবনে কাছীরের ও ইয়াকুত আল হীমাওয়ী বিশেষজ্ঞদের ইতিহাস গ্রন্থগুলো এমন বড় বড় মহামারীর কথা বাদ দিয়ে পড়ার কল্পনাই করা যায় না।

২১৪ হিজরীতে ইজিপ্ট (মিশর) একটি মহামারী আঘাত এনেছিল। যে মহামারীর অক্রমন থেকে একটি ঘরও বাদ যায় নি। এমনকি দেশের সরকারের সব উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ, রাজনীতিক নেতা, কূটনীতিক ব্যক্তবর্গ এই ভয়াল মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেন।

২২৮ হিজরীতে একই ধরণের মহামারী আজারবাইজানে আঘাত হানে। এই মহামারীর কবলে দেশের বেশির ভাগ মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। মানুষের মাঝে রোগ সংক্রমনের ভয় ছিল এতটাই প্রখর। সংক্রমণের ভয়ে কাপড় পরিধান করা থেকে পর্যন্ত বিরত থাকত। ভয়ে মৃত ব্যক্তিদের কাফন-দাফন পর্যন্ত করা হচ্ছিল না।

৪০৬ হিজরীতে অন্য এক ভয়াল মহামারী বসরা (ইরাক্বে) আঘাত হানে। সেখানে এমন এক ভয়াবহ পরিস্তিতি সৃষ্টি হয়, যেটা বর্ণনা করার মত নয়। মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা এতই প্রবল হচ্ছিল যে দেশের সকল কবরস্থান ভরে গিয়েছিল। মৃতদেহ লাশ সাপ্তাহ হতে সাপ্তাহ রাস্থায় পড়ে থাকত। দু:খের বিষয় হচ্ছে, অনেক পরিবারের সব সদস্যই মৃত্যুবরণ করেন। এমনকি দাফন কাফন করার কোন মানুষ ছিল না। অনেক সময় মৃতদের দেহ নিজ নিজ ঘরে দরজা বন্ধ করে সেখানেই কবর দেয়া হত। মহামারী শেষ হওয়া পর্যন্ত ঘরগুলো তালা দিয়ে রাখা ছিল।

৪৪৮ হিজরীতে আরেকটি মারাত্মক ধরণের মহামারী মিশর (ইজিপ্ট) ও আন্দালুসে (স্পেনে) আক্রমণ করে। ইমাম আয যাহাবী তাঁর বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ “সিয়ার আ’আলামুন নুবলা’র” ১৮ নং খন্ডের ৩১১ নং পৃষ্ঠায় এই মহামারীর ভয়াবহতা অত্যান্ত পরিস্কার করে তুলে ধরছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে ইজিপ্ট ও স্পেন এর আগে এমন মারাত্মক মহামারী দেখে নি।

সেসময় এসব দেশের সব মসজিদ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মহামারীর ভয়ে মুসল্লিরা মসজিদে আসতো না। কজেই মসজিদ মুসল্লি শূন্য হয়ে পড়ছিল। বধ্য হয়ে মসজিদ বন্ধের পরিবেশ তৈরী হয়ে গিয়েছিল।

“ব্ল্যাক প্লেগ” অথবা “ব্ল্যাক ডেথ” নামে ইতিহাসে যে মহামারী পরিচিত। এটি হিজরী ৮ম শতাব্দীতে যেটা খ্রিস্টীয় ক্যালেন্ডার হিসেবে ১৪শত শতাব্দীতে মধ্য ইউরোপে আঘাত এনেছিল। এটি স্পেন ও ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশসহ পুরা বিà¦