বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জ্ঞান-গরিমায় উঁচু পাহাড় ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার  আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক একাগ্রতার সালাত টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’  চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে জমিয়তের শোক সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশন’র শোক

ইসলামে সর্বপ্রথম তীর নিক্ষেপকারী সাহাবি হজরত সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি নূর মুহাম্মদ রাহমানী।।

তিনি বিশিষ্ট সাহাবি হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)। হিজরতের ২৩ বছর আগে ৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে কোরাইশের বনু যোহরা গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। মাতা হামনা। যেহেতু তাঁর নানীর বংশ নবীজির বংশপরম্পরায় যোহরা বংশে ছিল, সে হিসেবে নবীজি (সা.) তাঁর মামা হন। নবীজি (সা.) অনেকবার নিজেও এই আত্মীয়তার কথা স্বীকার করেছেন।

জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবি তিনি। ইসলামের সূচনালগ্নে তৃতীয় বা চতুর্থ নম্বরে ইসলাম গ্রহণ করেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন। ইসলাম গ্রহণের খবর তাঁর মা জেনে গেল। সে ছিল চরম ইসলামবিদ্বেষী। তাই তাঁর ইসলাম গ্রহণে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠল। এমনকি পানাহার ছেড়ে দিল। আর বলল, তুমি যদি এই ধর্ম থেকে ফিরে না আস, তাহলে আমি পানাহার করব না। তার এ অভিমান ছিল সাদের জন্য কঠিন পরীক্ষা। তিনি ছিলেন মায়ের অনুগত সন্তান।

কিন্তু ঈমানকে মায়ের ভালোবাসার উপর অগ্রাধিকার দিলেন। অটল থাকলেন ইসলামের ওপর। মাকে লক্ষ করে বললেন, মা আমার! আপনার যদি হাজারটা প্রাণ থাকে। আর হাজারবার এ ধরনের কসম করেন, তারপরেও আমি আমার ধর্ম থেকে ফিরে আসতে পারব না। আল্লাহপাক খুিশ হয়ে তাঁর ব্যাপারে পবিত্র কোরআনের আয়াত নাজিল করলেন, ‘যদি তারা আমার সাথে এমন বিষয়ের শরিক করার জন্য বল প্রয়োগ করে যার তোমার কোন জ্ঞান নেই, তাহলে তুমি তাদের আনুগত্য করো না আর দুনিয়াতে তাদের সাথে সৎভাবে সাহচর্য অবলম্বন কর।’ (সূরা লুকমান, আয়াত : ১৫)

ইসলাম গ্রহণ করার পর হিজরত পর্যন্ত মক্কাতেই অবস্থান করেন। কিন্তু মক্কার জমিন তাঁর জন্য সঙ্কুচিত হয়ে আসে। চলতে থাকে কাফের মুশরিকদের অবর্ণনীয় নির্যাতন।

মক্কায় কাফের মুশরিকদের জুলুম অত্যাচারে যখন মুসলমানগণ অতিষ্ঠ হয়ে গেলেন। ভেঙ্গে গেল ধৈর্যের বাঁধ। তখন নবীজি (সা.) মুসলমানদেরকে মদিনা শরিফে হিজরত করার নির্দেশ দিলেন। হজরত সাদ (রা.)ও নবীজির আদেশ শুনে চলে গেলেন মদিনায়।

তিনিই সর্বপ্রথম ইসলামে তীর নিক্ষেপ করেন। হিজরতের দ্বিতীয় বছরে রাসূল (সা.) কোরাইশদের গতিবিধি লক্ষ করার জন্য ৬০জন সাহাবির একটি টহলদল হিজাযের উপকলীয় নগরীতে পাঠান। সাদ (রা.) ছিলেন এ টিমের অন্যতম সদস্য। এ টহলদল ইকরিমা বিন আবু জাহেলের নেতৃত্বে কোরাইশদের একটি কাফেলাকে দেখতে পান। কোরাইশদের কেউ চিৎকার করে উঠলে সঙ্গে সঙ্গে হজরত সাদ (রা.) তীর নিক্ষেপ করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটাই কাফেরদের বিরুদ্ধে কোনো মুসলমানের ছোড়া প্রথম তীর।

দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.) মৃত্যুর পà