বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজ, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত!

‘শিক্ষার্থীদের শহরমূখী না হওয়ার আহ্বান’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুফিয়ান ফারাবী
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট>

সারাবিশ্বে দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে নভেল করোনা ভাইরাস। কোনভাবেই থামানো যাচ্ছে না সংক্রমণ। প্রতিদিনই ঝড়ছে তাজা প্রাণ।

বিজ্ঞানীদের দেয়া তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত স্বীকৃত কোন ভ্যাকসিন বা ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে ভ্যাকসিন বাজারে আসতে আরো একছর সময় লাগতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে ভ্যাকসিন আসলেই মানুষের ভয় কেটে যাবে না। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরো অন্তত দু'বছর সময় লাগতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে দেশের আলেমরা শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ গ্রাম বা শহরের মাদরাসাগুলোতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া ইদারাতুল উলুম ঢাকা আফতার নগর মাদরাসার  মুহতামিম মুফতি মুহাম্মাদ আলী বলছেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা এখন গ্রামে আছেন। এখন পরিস্থিতি খুব একটা ভালো না। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা শহরমূখী না হয়ে নিজ নিজ গ্রামে অবস্থান করে পড়াশোনা করতে পারে। এটাই উত্তম হবে।

জামিয়া আরাবিয়া রাহমানিয়া সাত মসজিদ মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, শুধু করোনা ভাইরাস সংক্রমণকালেই নয়, বরং অনেকদিন ধরে আমরা শিক্ষার্থীদের গ্রামে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। কিন্তু ভালো পড়াশোনার জন্য অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা এমনটি করে থাকেন।

তাই ছাত্রদের গ্রামমূখী করার পাশাপাশি গ্রামের শিক্ষা পরিবেশেও উন্নতি আনতে হবে। তাহলে ছাত্রদের গ্রামে রাখা সহজ হবে।

গ্রামমূখী শিক্ষাকার্যক্রম চালু করা গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও স্বনির্ভরতা আসবে বলে মনে করছেন মুফতি মোহাম্মদ আলী।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির সাথে মোকাবেলা করতে না পেরে অধিকাংশ প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কারণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একমাত্র আয়ের উৎস জনগণের অর্থায়ন অথবা ছাত্রদের বেতন।

যদি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়, এবং ছাত্র শিক্ষকরা সেখানে আগ্রহের সঙ্গে দরস ও তাদরিসে বসেন, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বনির্ভরতা আসবে। কারণ গ্রামের দিকে চাষাবাদ, গবাদি পশু পালনের মাধ্যমে আয় করা যায়। এজন্য আমি শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের গ্রামে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি।

ওআই/আবদুল্লাহ তামিম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ