বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৩ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বান্দরবানে টানা ভারী বৃষ্টি, বন্যার আশঙ্কায় ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত চট্টগ্রামসহ ১৬ জেলায় বন্যার সম্ভাবনা, এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ‌উদ্বেগ পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি ও প্রশ্ন ফাঁসের শাস্তি ঘোষণা খামেনির জানাজার মধ্যেই ইরানকে ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানদের শরিয়াহ দায়িত্ব ও একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শেয়ারবাজার থেকে ৭৭৫ কোটি টাকা তুলবে ইউসিবি শুভসন্ধ্যা সৈকতে গোসল করতে নেমে দাখিল পরীক্ষার্থী নিখোঁজ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ‘জুলাইকে ব্যর্থ করতে নতুন করে জঙ্গি নাটক সাজানো হচ্ছে’

‘শিক্ষার্থীদের শহরমূখী না হওয়ার আহ্বান’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুফিয়ান ফারাবী
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট>

সারাবিশ্বে দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে নভেল করোনা ভাইরাস। কোনভাবেই থামানো যাচ্ছে না সংক্রমণ। প্রতিদিনই ঝড়ছে তাজা প্রাণ।

বিজ্ঞানীদের দেয়া তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত স্বীকৃত কোন ভ্যাকসিন বা ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে ভ্যাকসিন বাজারে আসতে আরো একছর সময় লাগতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে ভ্যাকসিন আসলেই মানুষের ভয় কেটে যাবে না। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরো অন্তত দু'বছর সময় লাগতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে দেশের আলেমরা শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ গ্রাম বা শহরের মাদরাসাগুলোতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া ইদারাতুল উলুম ঢাকা আফতার নগর মাদরাসার  মুহতামিম মুফতি মুহাম্মাদ আলী বলছেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা এখন গ্রামে আছেন। এখন পরিস্থিতি খুব একটা ভালো না। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা শহরমূখী না হয়ে নিজ নিজ গ্রামে অবস্থান করে পড়াশোনা করতে পারে। এটাই উত্তম হবে।

জামিয়া আরাবিয়া রাহমানিয়া সাত মসজিদ মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, শুধু করোনা ভাইরাস সংক্রমণকালেই নয়, বরং অনেকদিন ধরে আমরা শিক্ষার্থীদের গ্রামে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। কিন্তু ভালো পড়াশোনার জন্য অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা এমনটি করে থাকেন।

তাই ছাত্রদের গ্রামমূখী করার পাশাপাশি গ্রামের শিক্ষা পরিবেশেও উন্নতি আনতে হবে। তাহলে ছাত্রদের গ্রামে রাখা সহজ হবে।

গ্রামমূখী শিক্ষাকার্যক্রম চালু করা গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও স্বনির্ভরতা আসবে বলে মনে করছেন মুফতি মোহাম্মদ আলী

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির সাথে মোকাবেলা করতে না পেরে অধিকাংশ প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কারণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একমাত্র আয়ের উৎস জনগণের অর্থায়ন অথবা ছাত্রদের বেতন।

যদি গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়, এবং ছাত্র শিক্ষকরা সেখানে আগ্রহের সঙ্গে দরস ও তাদরিসে বসেন, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বনির্ভরতা আসবে। কারণ গ্রামের দিকে চাষাবাদ, গবাদি পশু পালনের মাধ্যমে আয় করা যায়। এজন্য আমি শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের গ্রামে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি।

ওআই/আবদুল্লাহ তামিম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ