বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জ্ঞান-গরিমায় উঁচু পাহাড় ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার  আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক একাগ্রতার সালাত টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’  চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে জমিয়তের শোক সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশন’র শোক

করোনা: আল্লাহর স্মরণে ভীত হওয়ার সময় কী আসেনি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি সৈয়দ নাছির উদ্দীন আহমদ।।

মানুষ পরকালের নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হওয়া এবং আজাবে আক্রান্ত হওয়ার বড় কারণ হচ্ছে,পার্থিব ক্ষণস্থায়ী সুখ ও তাতে নিমগ্ন হয়ে পরকাল থেকে উদাসীন হয়ে যাওয়া।

তাই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়া মোটেই ভরসা করার যোগ্য নয়। অথচ পার্থিব জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যা কিছু হয় এবং যাতে দুনিয়াদার ব্যক্তি মগ্ন ও আনন্দিত থাকে এগুলো হলশুধু ক্রীড়া,কৌতুক,সাজসজ্জা,পারস্পরিক অহমিকা,ধন-জনের প্রাচুর্য নিয়ে পারস্পরিক গর্ববোধ ইত্যাদি।

মহান আল্লাহ-পাক নিজেই এই পার্থিব জীবন সম্পর্কে বলতেছেন,তোমরা জেনে রেখো !এই পার্থিব জীবনতো হচ্ছে,ক্রীড়া-কৌতুক,জাঁকজমক,পারস্পরিক অহমিকা, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা ব্যতীত আর কিছুই না। (সুরা হাদীদ আয়াত ২০)

তাইএসব বিষয় দেখা ও অনুধাবন করার পর একজন প্রকৃত মুমিন বুদ্ধিমান ব্যক্তির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত যে,আসলেই দুনিয়ার জীবন একটি প্রতারণার স্হল। এখানকার ধন-সম্পদ প্রকৃত ধন-সম্পদ নয় যা বিপদমুহুর্তে কাজে আসতে পারে।

এরবাস্তব প্রমাণ হল,আমাদের সামনে চলমান করোনা ভাইরাস নামক ভয়ঙ্কর মহামারী। যার বিষক্রিয়া আজ সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিরীহ-অসহায় করে তুলেছে। পার্থিব জীবনের সকল আরাম-আয়েশ ও ভ্রাতৃত্ব বা বন্ধুত্বের সম্পর্ককে সতর্কতার দোহাই দিয়ে বিচ্ছিন্ন বা একপ্রকার নিঃসঙ্গ করে দিয়েছে।

যে ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বের সকল চিকিৎসক আজ মানব তৈরি সর্বপ্রকার শক্তি বা ব্যবস্থাপনা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু এসব চেষ্টা তদবির কাজে আসছেনা।

যার সূচনা হয়েছিল গেল বছর ডিসেম্বর মাসে চীনের ওহান শহর থেকে। যেটিকে আজ কোভিড ১৯ করোনা ভাইরাস নামে বিশ্ববাসী জেনে থাকেন।

প্রায় দুই মাসের অধিক সময় চীন দেশে ভাইরাসটির সংক্রমণ প্রক্রিয়া চালু ছিল। যার আক্রমণে অসংখ্য মানুষ মৃত্যুর পেয়ালা পান করতে হয়েছিল।

লক্ষ্যাধিক মানুষের মধ্যে ভাইরাসটি সংক্রমিত হয়ে তাদের জীবনকে মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ বেধে দিয়েছিল।পুরো দেশের মানুষগণ জীবন রক্ষার জন্য করছিল হাহাকার। যার আঘাতে জখম হয়ে পড়েছিল তাদের স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থাপনা বিপর্যস্ত।
তখন শুধু চীনের সাথে ছিল পুরো বিশ্ববাসীর সার্বিক বিষয় আমদানি-রপ্তানি সহ সেদেশে গমন ও ভ্রমণের উপর লকডাউন।

বর্তমানে চীন সেই প্রাণঘাতী করোনা থেকে সাময়িক মুক্তি পেলেও আক্রান্ত কিন্তু এখন পুরো পৃথিবী।চীনের নাগরিক স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে সক্ষম হলেও সমগ্র বিশ্বের জীবন-ব্যবস্থা আজ বিপর্যস্ত ও নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে উন্নতশীল ও শক্তিশালী দেশ লন্ডন