বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


শরিয়াহ দৃষ্টিকোণে আইসোলেশন, লকডাউন ও হোমকোয়ারান্টাইন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মামুন আব্দুল্লাহ কাসেমি ।।

পুরো পৃথিবী আজ স্তব্ধ স্তম্ভিত। শহরগুলোতে রিক্ততার বাতাস বয়ে চলছে। দিনদিন মহামারী (কোভিট-১৯) করোনা ভাইরাসে পৃথিবীর কোন না কোন প্রান্তে ঝরছে কত প্রাণ। আক্রান্ত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। এ যেন বাতাসের বেগে সর্বত্র ছড়িয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তি, ক্ষমতা আর সচেতন জনশক্তি নিয়েও পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান যে ভাইরাসের এই পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে পারেনি। আমাদের দেশের অবস্থাতো বলাই বাহুল্য।

কারণ, করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশের অবস্থা বড়ই নাজুক। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ছে শহর হতে অজপাড়াগাঁয়ে। প্রতিদিন কারো না কারো আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। মৃত্যুুর হারও বেড়ে চলেছে।

গতকাল বুধবার (২৬ মার্চ) এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর(IEDCR) পরিচালক জানান, সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ৭৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ৩৯ জনের। এর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। সাতজন সুস্থ হয়েছে। বাকি ২৭ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এখন পর্যন্ত ২১ হাজার মানুষ এবং ২০০ জনের প্রাণ হারানোর খবর এসেছে। অন্যদিকে এ ভাইরাস যাদের শরীরে শনাক্ত হয়েছে তাদের ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৮ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এছাড়া ভাইরাসটি মোট শনাক্ত হয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৫ জনের শরীরে।

বর্তমানে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪৮৭ জনের শরীরে এ ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে। চিকিৎসাধীন এসব মানুষের মধ্যে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৬৯৫ জনের অবস্থা স্থিতিশীল এবং ১৪ হাজার ৭৯২ জনের অবস্থা গুরুতর।

ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনে- সেখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ২৮৫ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ২৮৭ জন। দেশটিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ জন এবং নতুন মৃতের সংখ্যা অন্তত ছয় জন।

ভাইরাসটিতে ইতালিতে মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সেখানে মারা গেছেন ৭ হাজার ৫০৩ জন। এদের মধ্যে ৬৮৩ জন মারা গেছেন গেল ২৪ ঘণ্টায়। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৩৮৬ জন।

সবমিলিয়ে অবস্থা খুব ভালো নয়।দেশের সকল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বন্ধ। হাটবাজারে শূণ্যতা বিরাজ করছে।

সরকারী বেসরকারী স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে বর্তমান ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের যথাসম্ভব প্রতিরোধকল্পে জনসমাগম এড়িয়ে জনবিচ্ছিন্ন কর্মকৌশল অবলম্বন করতে বলা হচ্ছে, সবাইকে নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও আবাসনে অবস্থান করতে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। কেউ আক্রান্ত হলে বা আক্রান্ত হ