সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ইবনে শাইখুল হাদিসের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের দুই ঘণ্টার বৈঠক

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ভণ্ড পীরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুসলিমদের সঙ্গে প্রতারণা ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মামলায় ঢাকার দোহারের ‘হজবাবা’ ভণ্ড পীর মতিউর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার আট সহযোগীকেও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার এডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এ এস এম মারুফ হোসেন চৌধুরী এ রায় দেন।

দণ্ডিত অপর আসামিরা হলো- সেন্টু পীর, শুকুর, লিয়াকত, কাজল, জিন্টু, আলমাছ, জুলহাস ও আরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবীর বাবুল গণমাধ্যমকে বলেন, ভণ্ড পীর মতিউর রহমানকে পৃথক দুই ধারায় তিন বছর ও অপর আসামিদের এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জিন্টু ও আরিফুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। বাকি আসামিদের সাজা পরোয়ানা ইস্যু করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং প্রতারণার অভিযোগে মতিউর রহমানসহ নয় জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর দোহার থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপ-পরিদর্শক মুহা. তছলিম উদ্দিন।

বাদীর অভিযোগ, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর নিউজ২৪ টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ‘টিম আন্ডার কভার’ অনুষ্ঠানে দোহারের লটাখোলার ‘ভণ্ড পীর’ মতিউর রহমান তার সঙ্গীসহ প্রতারণার মাধ্যমে মুসলিম নারী ও পুরুষদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। আসামিরা এলাকার সহজ-সরল নারী ও পুরুষদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে সাড়ে ৭শ’ করে টাকা নিয়ে পবিত্র হজের ন্যায় প্রতীকী অবস্থার সৃষ্টি করে হজ পালন করায়। ভণ্ডপীর মতিউর রহমান তার সহযোগীদের নিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে মিথ্যা ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে মুরিদ তৈরি করে নারীদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করান।

মামলাটি তদন্ত করে দোহার থানার পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম শেখ ২০১৭ সালের ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার এডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ