সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের সব ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার কমিটি বাতিল ফ্রান্সে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আলিম পরীক্ষা ২০২৮, নম্বর বণ্টনসহ নতুন সিলেবাস প্রকাশ বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয়

তাবলিগ: আখেরি জমানার সংস্কার আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা লিয়াকত আলী ।।

মরু আরবের এক প্রান্তর থেকে উঠেছিল তাওহিদের আহ্বান। পৌত্তলিকতার আঁধারে নিমজ্জিত মানুষেরা এ নতুন আহ্বানে সাড়া দিতে প্রস্তুত ছিল না। কেননা ভোগবাদ ও দুনিয়াবী মোহে আচ্ছন্ন থাকার কারণে তাদের সত্যবাণীর মর্ম অনুধাবনের শক্তি যেন লোপ পেয়েছিল।

অথচ একই বাণীই তো প্রচার করে গেছেন আম্বিয়ায়ে কেরামের নুরাুনি কাফেলা। প্রত্যেকই মানুষকে অলীক অসার প্রভুর ধারণা পরিহার করে এক অদ্বিতীয় মহান প্রতিপালকের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন ও তার বিধানসমূহ অনুসরণের প্রতিজ্ঞা গ্রহণের দীক্ষা দিয়েছেন।

পার্থিব জীবনের স্বরূপ ও উদ্দেশ্য পরকালীন স্থায়ী জীবনের জন্য পাথেয় সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা এবং মহান স্রষ্টার প্রতি সমর্পিত হওয়ার অপরিহার্য বুঝিয়ে দেয়াই তাদের চিরন্তন কর্মসূচী।

আখেরি জামানায় এসেছেন সাইয়েদুল মুরসালিন মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সা.। আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তিনি মানব জাতিকে উপহার দিয়েছেন চূড়ান্ত জীবন বিধান।

পার্থিব ও পারিত্রিক উভয় জগতের সার্থকতা ও মুক্তির গ্যারান্টি জীবনের প্রথম চল্লিশটি বছর যিনি সমকালীন সমাজ ও প্রতিবেশে বিশ্বস্ততা ও নির্ভরযোগ্যতার অনুপম প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছিলেন, প্রচলিত প্রথা ও রীতির বিপরীতে নতুন বক্তব্য উচ্চারণের কারণে তিনি নিছক বিরোধ ও সমালোচনা নয়, তিরস্কার, নিন্দা পর্যন্তও সীমিত থাকেনি। বরং নির্যাতন ও দুর্ব্যবহারে তাঁর জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।

আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি ছেড়ে তিনি ইসলামের প্রসার ও প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র হিসেবে বেছে নেন সুদূরের ইয়াছরিব পল্লীকে। নানা বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের ধারক বিচিত্র জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও কল্যাণময় রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার নমুনা পেশ করলেন। বিশ্ববাসী লাভ করলো ইতিহাসের প্রথম লিখিত সংবিধান।

ঘাত-প্রতিঘাত অতিক্রম করে ইসলামের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রইল। মাত্র এক দশকে গোটা আরব উপদ্বীপের একমাত্র ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো ইসলাম। তারপর মুসলিম উম্মাহকে পরিচালনার দায়িত্ব অর্পিত হলো খোলাফায়ে রাশেদীনের ওপর। মাত্র দু’দশকে সমকালীন দু পরাশক্তির ক্ষমতা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেল মুসলমানদের হাতে।

খেজুর পাতার আসনে বসে অর্ধ জাহানের শাসন চালাতে লাগলেন মহানবী সা. -এর প্রশিক্ষিত ও দীক্ষিত ঘনিষ্ঠ সহচরেরা। এরপর এক পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসন পরিচালনায় কিছুটা ছন্দপতন হলো। তথাপি ইসলামের প্রসার ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রইল।

অনুপম আদর্শ ও সোনালী নির্দà