সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন: প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের বিষয়ে আইনমন্ত্রী ‘দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার ঋণগ্রস্ত, অর্থনীতির সাফল্যের দাবি অর্থহীন’ ঐতিহাসিক ‘ইএসডিপি-এমওসি’ চুক্তি সই, ১ এপ্রিল থেকে কর্মী নেবে জাপান ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে শহীদ মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদ বিশ্ববাসীকে ফিলিস্তিনিদের কথা ভুলে না যাওয়ার আহ্বান পেপ গার্দিওলার ১৯ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি দুপুরে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এবারও শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে মাসিক নকীব, লেখা আহ্বান রাহাতের মুফতি হওয়ার স্বপ্নের পাশে গাজীপুর জেলা পরিষদ

বাবরী মসজিদ রায়: বাংলাদেশি মিডিয়ার নিন্দা করল ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের নিন্দা জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রভিশ কুমার এক টুইটবার্তায় বলেন, বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি নকল চিঠি প্রকাশিত হয়েছে।

প্রধান বিচারপতিকে লেখা এই ‘ভুয়া চিঠি’ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমেও বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে একটি নকল চিঠি প্রকাশিত হয়েছে। সেই চিঠিটি অযোধ্যা রায় নিয়ে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন বলে দাবি করা হয়। যা আসলে সর্বৈব মিথ্যা।

এরকম কোনো চিঠি প্রধানমন্ত্রী রঞ্জন গগৈকে লেখেননি বলে দাবি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই মিথ্যা খবর ছড়িয়ে ভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে ট্যুইট করেন রভিশ কুমার।

নিজের টুইটের সঙ্গে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের একটি বিবৃতিও যুক্ত করে দেন তিনি। সেই বিবৃতিতেও এ চিঠিটি সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে জানানো হয়েছে। সামাজিক অশান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই চিঠি প্রকাশ করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ভারতীয় হাই কমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভারতীয় হাই কমিশনের গোচরে স্থানীয় যোগাযোগমাধ্যমের একটি সংবাদ এসেছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছেন।

এ চিঠি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ। এর উদ্দেশ্য বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা। জনপরিসরে ভারত সম্পর্কে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও ভুল তথ্য প্রচার করার এই অপচেষ্টা অত্যন্ত গর্হিত ও অনুচিত। সূত্র: এ সময়, ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা

-এটি