সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

‘নাগরিকত্ব হরণ কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উপেক্ষা করা চলে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিশ্বের একক বৃহত্তম নাগরিকত্ব হরণের ঘটনা কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উপেক্ষা করা চলে না বলে দাবী করেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ।

আজ রোববার বিকেল ৩টায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় আমেলার ষান্মাসিক কার্যক্রম পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ দাবী করেন।

তিনি বলেন, নিপীড়নবিরোধী দীর্ঘ নয় মাস প্রতিরোধ ও সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনকারী বাংলাদেশ বিশ্বের যে প্রান্তেই অন্যায়, নিপীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, সেটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া বাংলাদেশ সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধবিষয়ক সনদ রোম স্ট্যাটিউটে স্বাক্ষরকারী দেশ।

সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে: ১. প্রত্যেকেরই নাগরিকত্বের অধিকার রয়েছে, এবং ২. কাউকেই ইচ্ছা হলেই নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা যাবে না এবং তার নাগরিকত্ব বদলানোর অধিকারও অস্বীকার করা যাবে না। আর রোম স্ট্যাটিউটে জনগোষ্ঠীর জোরপূর্বক বহিষ্কার কিংবা স্থানান্তর, আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক বিধিমালা লঙ্ঘন করে তাদের দৈহিক স্বাধীনতা গুরুতরভাবে খর্ব করা অথবা বন্দী রাখাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের একক বৃহত্তম নাগরিকত্ব হরণের ঘটনা কি কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উপেক্ষা করা চলে? যাদের নাগরিকত্ব হরণ করা হয়েছে, তাদেরকে ভারত সরকার ও স্থানীয় রাজনীতিকরা বাংলাদেশি বলেই অভিহিত করছে। হয়তো তাদেরকে এখনই বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে না; কিন্তু পর্যায়ক্রমে সে প্রক্রিয়া শুরু হতে যে খুব বিলম্ব হবে, এমনটি মনে করার কোনো সুযোগ নেই।

আমাদের ভুলে যাওয়া উচিৎ হবে না, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা আশির দশকে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব হরণ করে। মিয়ানমার সরকার দাবী করছিলো, আরাকানে বসতি স্থাপনকারী এসব নাগরিক বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী। যদিও প্রকৃত কারণ হচ্ছে এরা ধর্মীয়ভাবে মুসলমান। তাদের ভাষা আরাকানি হলেও মিয়ানমার সরকার ও উগ্রপন্থী বৌদ্ধ নেতারা রোহিঙ্গাদের বাংলাভাষী বলেই অভিহিত করে থাকে।

নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার পর থেকে প্রথমে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা এবং বর্তমানে বেসামরিক সরকার, উগ্রপন্থী বৌদ্ধধর্মীয় গোষ্ঠী ও কিছু বেসামরিক গোষ্ঠী ধারাবাহিকভাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাস্তুচ্যুত করার চেষ্টা চালিয়ে আসছ