রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা’ এবার রিয়াদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ বাংলা একাডেমি পদক নেবেন মোহন রায়হান, তবে… মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মাঝে প্রবাসীদের খোঁজখবর নিলেন তারেক রহমান খামেনি হত্যায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ পীর সাহেব চরমোনাইয়ের ইরানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত মিশরে আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ‘সৌহার্দ্যের সিয়ামসন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত আয়াতুল্লাহ খামেনির লাশ উদ্ধারের দৃশ্য দাবি করে ছড়ানো ছবিটি ভুয়া! ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুতের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের বৈঠক

প্রতারণার অভিযোগে ইবনে সিনার চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ডেঙ্গু রোগের পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালের চেয়ারম্যানসহ চারজনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম দিদার হোসেনের আদালতে ঢাকা বারের আইনজীবী রমজান আলী সরকার মামলাটি করেন।

আসামিরা হলেন- ইবনে সিনা হাসপাতালের (ধানমন্ডি শাখা) চেয়ারমান, ইবনে সিনা গ্রুপের চেয়ারমান, ইবনে সিনা ডায়াগনোস্টিক অ্যান্ড ইমেজিং সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কনসালট্যান্ট (হেমাটোলজিস্ট) প্রফেসর কর্নেল (অব.) মো. মনিরুজ্জামান।

মামলায় অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২৫ জুলাই বাদী জ্বর অনুভব করলে ইবনে সিনা হাসপাতালের ধানমন্ডি শাখাতে যান। আউটডোরে পরামর্শ করলে তারা ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে কি না তা জানতে এনএসআই এজি এবং সিবিসি পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। পরে তিনি ওই পরীক্ষা দুটি করেন।

পরদিন রিপোর্ট সংগ্রহ করে তিনি দেখেন, রক্তের প্ল্যাটিলেট লেভেল ৭৮৪০০০ সিএমএম। রিপোর্ট দেখে বাদী আতঙ্কিত হন। ওই দিনই (২৬ জুলাই) তিনি বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে গিয়ে একই পরীক্ষা করান। সেখানে পরীক্ষা করে দেখেন রক্তের প্ল্যাটিলেট লেভেল দুই লাখ সিএমএম। যা সুস্থ এবং স্বাভাবিক মানুষের শরীরে বিদ্যমান থাকে।

বাদী অভিযোগ করেন, একজন সুস্থ মানুষের রক্তের প্ল্যাটিলেট লেভেল দেড় লাখ থেকে সাড়ে ৪ চার লাখ। কিন্তু ইবনে সিনার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ইমেজিং সেন্টার রক্তের প্ল্যাটিলেট লেভেল ৭৮৪০০০ সিএমএম দেখায়। যা কোন সুস্থ বা অসুস্থ মানুষের ক্ষেত্রেই হতে পারে না। ইবনে সিনার ভুল রিপোর্টের ভিত্তিতে তিনি ওষুধ খেলে শারীরিক, মানসিক ও অর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন এবং জীবননাশেরও সম্ভাবনা ছিল।

এসব অভিযোগ করে মামলাটি আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন বাদী।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ