বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক লিটার তেলও বের হতে দেব না: ইরান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বেতন ও কর্মদিবস কমাল পাকিস্তান আইজিপির সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ইরানে আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলায় বিশ্ব শান্তি হুমকির মুখে’ যে কারণে কওমি মাদরাসা আপনার জাকাত ও দানের বেশি হকদার যুব সংগঠক আমিনুল ইসলাম সাদীকে জাতীয় পদকে ভূষিত করার দাবি ‘নিরাপদ অভিবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন আলেমরা’ নানুপুর মাদরাসায় ৪০ দিনের ইতেকাফে প্রায় তিন হাজার মুসল্লি শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য

‘জয় শ্রীরাম মানুষকে গণপিটুনি দেওয়ার জন্য ব্যবহার করছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেন। ধর্মীয় স্লোগান জোর করে দেওয়ানো হচ্ছে, না হলে মারধর করার ঘটনা ঘটছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। অমর্ত্যের মতে, 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘মা দুর্গা শব্দবন্ধটি বাঙালি জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে যেমন ওতপ্রোত ভাবে জড়িত, জয় শ্রীরাম কিন্তু তা নয়।

জয় শ্রীরাম স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না। ইদানিং দেখছি রাম নবমী বেশ জনপ্রিয় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। আগে কখনও শুনিনি।’

তিনি আরো বলেন, জয় শ্রীরাম স্লোগান ব্যবহার করা হয়, মানুষকে গণপিটুনি দেওয়ার জন্য।’

অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, ‘একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে আমার মনে হয়, বেকারত্ব, আর্থিক বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি থেকে নজর ঘোরাতেই রাম মন্দির, গোরক্ষা, শবরীমালা-সহ ধর্মীয় বিষয় গুলি নিয়ে মাতামাতি করা হচ্ছে।

আর্থিক বৃদ্ধির হার যদিও বেশি, কিন্তু‌ তাতে গরিবের জীবনযাত্রার মানোন্নতি হয়নি। ঠিক এই জায়গাতেই, গোরক্ষা বা মন্দিরে নজর ঘোরানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ