রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড এমপিও দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষকদের মাঝে ছাত্র জমিয়তের পানি-স্যালাইন বিতরণ মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ৪৫ জনকে আটক করে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীকে সতর্ক করলেন স্পিকার কেন ঢেকে রাখা হয় কাবা শরিফ, কালো গিলাফের আড়ালে হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

তিন বছরে ৩১ মসজিদ ধ্বংস করেছে চীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ২০১৬ সালের পর থেকে তিন বছরে  চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে প্রায় ৩১টি মসজিদ ধ্বংস করেছে দেশটির প্রসাশন। তাছাড়া এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি ইসলামি স্থাপনাকে আংশিকভাবেও ধ্বংস করা হয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান-এর।

সংবাদমাধ্যমটির গবেষণাধর্মী এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের উত্তর পশ্চিমের এই স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলটিতে উপগ্রহের ছবি ব্যবহার করে পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে ৯১টি ধর্মীয় স্থাপনা পরীক্ষা করেন তারা। গবেষকরা দেখেন, ৩১টি মসজিদ এবং দু’টি প্রধান মন্দিরের কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়, মোট ৩৩টি ধর্মীয় স্থাপনার অর্ধেক বা পুরোপুরি অংশ ধ্বংস করা হয়েছে। আর এই অঞ্চলটির অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর গেটহাউস, গম্বুজ এবং মিনারেটগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে।

ধ্বংস করা মসজিদগুলোর মধ্যে ইউটিউয়ান আইতিকা মসজিদ, কারগিলিক মসজিদ এবং ইমাম আসিম কমপ্লেক্স অন্যতম।

এদিকে, চীনের মুসলিম সংখ্যালঘুরা রোজা রাখায় আবারও দমনপীড়ন ও নির্যাতন শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দেশটির মুসলিম প্রধান পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে এই দমনপীড়ন করা শুরু হয়েছে।

রোজা রাখার পাশাপাশি দাড়ি রাখা, মাথায় কাপড় দেয়া, নিয়মিত নামাজ আদায় এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাসহ ধর্মীয় বিষয়গুলোকে চীনের কর্তৃপক্ষ চরমপন্থার চিহ্ন মনে করছে উল্লেখ করে গত সপ্তাহের শেষদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক রিপোর্ট প্রকাশ করে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ