শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচরণ ইলমের জন্য বহুমুখী ক্ষতির কারণ’ সংকীর্ণ মানসিকতা নিয়ে নেতৃত্বের আসনে বসা যায় না: ছাত্র জমিয়ত ঢাকার আরও দুই এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ মক্কার দিকে ড্রোন হামলার প্রচেষ্টার নিন্দা, প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে নিরাপত্তাহীনতায় রাজধানীবাসী’ সব জেলা পরিষদকে জরুরি নির্দেশনা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টেও হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে কুরআন নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াতের হারামাইনের নিরাপত্তায় প্রতিটি পাকিস্তানি সৌদির পাশে: মাওলানা ফজলুর রহমান চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কাজ হবে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জম্মু-কাশ্মিরের পুলওয়ামায় হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত এবং পাকিস্তানের পারস্পরিক সম্পর্ক এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী যেই হন না কেন ক্ষমতায় এসে তার প্রথম কাজ হবে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করা; পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক নীতি কী হবে তা নির্ধারণ করা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে একথা বলা হয়েছে।

আগামী ১৪ এবং ১৫ জুন চীনের সাংহাইতে কো-অপারেশন সামিট হওয়ার কথা রয়েছে। এখানে বিভিন্ন দেশের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর। আর এখানেই ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক হবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে।

বৈঠকে পাকিস্তানের প্রতি ভারতের বিদেশনীতি ঠিক কী সে আলোচনা চলবে। উল্লেখ্য, লোকসভার নির্বাচনী প্রচারে কেন্দ্রের শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধীরা বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক, পুলওয়ামা হামলার কথা উল্লেখ করতে ছাড়েননি।

সম্প্রতি, পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এক সাক্ষাত্‍কারে বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে মোদী জিতলে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের আলোচনার পথ আরও প্রশস্ত হবে। ভারতের নির্বাচনে যদি কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে তবে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে ভয় পাবে। তবে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার এলে আলোচনায় সুবিধাই হবে।

বিরোধী সরকার ভয় কেন পাবেন তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইমরান বলেছেন, কংগ্রেস সরকার এই সরকারের মতো চরমপন্থী নয়, তারা আলোচনা করতে ভয় পাবে কট্টরপন্থী দলের বিরোধিতার জন্য। কিন্তু বিজেপির মতো দলই যদি আবার ক্ষমতায় আসে, তবে আলোচনার পথ খুলবে।

কেপি