রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পেলেন এএসপি জাবীর হুসনাইন সানীব যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী কেউ ঘুস চাইলে পুলিশে সোপর্দ করতে বললেন ধর্মমন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি বিকেএমের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কর্মী প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত মাদরাসার ছাদে ৩৩ হাজার ভোল্টের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, দগ্ধ ৫ ছাত্রী কোটার বাইরে ১০ হাজারের বেশি হজযাত্রী, বাড়তি কোটা চাইবে বাংলাদেশ সারা দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সরকারের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প: প্রধানমন্ত্রী আমাদের জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী

১ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত কোচিং বন্ধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আসন্ন উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি পরীক্ষা নিয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা ও তদারক কমিটির সভা শেষে এই তথ্য জানান।

আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ মে। এরপর ১২ থেকে ২১ মে পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে।

গত পরীক্ষার মতো এবারও পরীক্ষা শুরুর মাত্র ২৫ মিনিট আগে কোন সেট প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে, সেটা জানানো হবে। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র বণ্টনে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সে জন্য নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের আলাদা আলাদা কক্ষে আসন বিন্যাস করে প্রশ্নপত্র বিতরণ করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন।

প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে এবারও বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নপত্রের প্যাকেটে গতানুগতিক কাগজের খামের বদলে অধিকতর নিরাপত্তাবিশিষ্ট অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল খাম ব্যবহার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণে তদারক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভেন্যু কেন্দ্রের জন্য প্রশ্নপত্রের আলাদা প্যাকেট ও ট্রাংক তৈরি করা হয়েছে, যা ট্রেজারি থেকে সরাসরি ভেন্যুতে পাঠানো হবে।

পরীক্ষার্থীদের আগের মতোই ৩০ মিনিট আগে আবশ্যিকভাবে কেন্দ্রের আসন গ্রহণ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীর কেন্দ্রে আসতে দেরি হলে রেজিস্ট্রারে তার নাম, ক্রমিক নম্বর ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে এবং সেটি প্রতিদিন কেন্দ্রসচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাবেন। কেন্দ্রে শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (কেন্দ্রসচিব) সাধারণ মানের একটি ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিকস যন্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন না।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. জিয়াউল হকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সংস্থা, বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরআর